ঘূর্ণিঝড় ইয়াগির প্রভাবে সৃষ্টি হওয়া বন্যা ও ভূমিধসে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৪ জনে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে দেশটির সরকারি গণমাধ্যম।
মিয়ানমার
মিয়ানমারে টাইফুন ইয়াগির প্রভাবে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। সেখানে এখন পর্যন্ত কমপক্ষে ৩৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।
মিয়ানমারের জনগণের ওপর ব্যাপক সহিংসতা ও নিপীড়ন চালাচ্ছে জান্তা বাহিনী। এর মধ্যেই জান্তা বাহিনীতে সহযোগিতা বাড়াতে মিয়ানমারের সঙ্গে দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে চীন।
সেন্টমার্টিন থেকে ফেরার পথে নাফ নদে একটি যাত্রীবাহী ট্রলারে মিয়ানমার থেকে গুলি চালানো হয়েছে।
মিয়ানমারের জান্তা বাহিনী সাম্প্রতিক দিনগুলোতে বেসামরিক স্থাপনায় হামলার মাত্রা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়েছে। গত ছয় দিনে স্কুল, বাজার, শহর এবং আইডিএফ ক্যাম্পে অতর্কিত হামলা চালিয়ে অন্তত ৪০ জনকে হত্যা করেছে।
ক্ষমতাসীন জান্তা বাহিনীর বিমান হামলায় মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চলীয় প্রদেশ শানে ১১ জন নিহত হয়েছেন এবং আহত হয়েছেন আরও ১১ জন।
সীমান্তে নাফ নদীর ওপারে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্য থেকে আসা মর্টার শেল ও বিমান হামলার বিস্ফোরণের শব্দে কেঁপে উঠেছে কক্সবাজারের টেকনাফ উপজেলা।বুধবার (২৮ আগস্ট) গভীর রাতে এ ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন নাফ নদী-তীরবর্তী উপজেলার বাসিন্দারা।
কক্সবাজারের টেকনাফের নাফনদীতে অভিযান চালিয়ে অবৈধ উপায়ে সাগর পথে আসা ৮টি ট্রলার ভর্তি কাঠ জব্দ করেছে বিজিবি।
মিয়ানমারের সেনারা চাপের মধ্যে রয়েছে বলে স্বীকার করেছেন সেনাপ্রধান ও অভ্যুত্থানের নেতা সিনিয়র জেনারেল মিন অং হ্লাইং। জানা গেছে, মিয়ানমারের জান্তা চীন সীমান্তের কাছে এক প্রধান সামরিক ঘাঁটির সিনিয়র কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ হারিয়েছে।
মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তবর্তী এলাকায় মর্টারশেল ও গুলির বিকট শব্দ শোনা গেছে। এর ফলে সীমান্ত জনপদ টেকনাফের বাসিন্দাদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ হয়েছে। তবে নাফ নদী ও সীমান্তে বিজিবি-কোস্টগার্ডের টহল জোরদার রয়েছে।