পালিয়ে আসা মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর সদস্যদসহ ৩৩০ জনকে তাদের দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে কক্সবাজারে।
মিয়ানমার
আগামীকাল বৃহস্পতিবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) ফেরত পাঠানো হবে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়া ৩৩০ জন মিয়ানমারের বিজিপি ও অন্যান্য সংস্থার সদস্যদের।
মিয়ানমারে ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে ক্ষমতায় আসার পর থেকে এবারই সবচেয়ে বেশি প্রতিরোধ আক্রমণের মুখে পড়েছে সামরিক সরকার।
মিয়ানমারে প্রাপ্ত বয়স্ক নাগরিকদের জন্য সামরিক বাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করেছে দেশটির জান্তা সরকার।এমন একটি সময় এই ঘোষণা এলো যখন বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর সাথে দেশটির সামরিক বাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষ চলছে।
মিয়ানমারে চলমান সংঘাতের জের ধরে অস্ত্রসহ বাংলাদেশে অনুপ্রবেশকারী মিয়ানমারের ২৩ নাগরিককের রিমান্ড শুনানি হবে আজ।
জেলার নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার ঘুমধুম ইউপির তুমব্রু সীমান্তে মিয়ানমার থেকে ছোড়া অবিস্ফোরিত আরও একটি মর্টার শেল উদ্ধার করেছে বিজিবি। তবে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম- তুমব্রু সীমান্ত কিছুটা শান্ত হলেও জনমনে রয়েছে আতঙ্ক।
বাংলাদেশের সীমান্তসংলগ্ন মিয়ানমারের অভ্যন্তরে বেশিরভাগ স্থানে গোলাগুলি থামলেও বৃহস্পতিবারও কিছু কিছু জায়গায় থেমে থেমে গোলাগুলির শব্দ পাওয়া গেছে।
মিয়ানমারের জান্তা সরকার ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীগুলোর মধ্যে সংঘাতের ইস্যুটি বাংলাদেশেও তুমুল আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, কেন না বিদ্রোহীদের হামলার মুখে মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষী বাহিনী ও সেনাবাহিনীর বহু সদস্য বাংলাদেশে পালিয়ে এসে আশ্রয় নিয়েছেন।
বাংলাদেশের বিরোধী দল বিএনপি আজ (বুধবার) একটি সংবাদ সম্মেলনে মিয়ানমারের চলমান পরিস্থিতির সাথে ঢাকার শেখ হাসিনা সরকারের কোনও সম্পর্ক আছে কি না, এমন প্রশ্ন তুলেছে।
মিয়ানমার থেকে বুধবার আরও ৬৩ জন বর্ডার গার্ড পুলিশ বা বিজিপি সদস্য পালিয়ে বাংলাদেশে এসেছে। এ নিয়ে মিয়ানমার থেকে ৩২৭ জন নিরাপত্তা রক্ষী বাংলাদেশে পালিয়ে আসল।