বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট অতি প্রবল ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ মোকাবিলায় চট্টগ্রাম মহানগর পুলিশের (সিএমপি) ৯ হাজার সদস্যকে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তার মধ্যে মহানগর পুলিশের পক্ষ থেকে ৭ হাজার ও জেলার পাঁচ উপকূলীয় উপজেলাসহ ১৭টি থানার ২ হাজার পুলিশ সদস্যকে ব্যাকআপ ফোর্স হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
মোকা
ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলায় সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বরিশাল জেলা প্রশাসন। ৮৯৯ মেট্রিক টন চাল ও ৮ লাখ ৯০ হাজার নগদ টাকা মজুদ রেখেছে জেলা প্রশাসন। এছাড়া শুকনা খাবার, পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেটসহ ৫৪১টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ মোকাবিলায় আগাম প্রস্তুতি গ্রহণের লক্ষ্যে জেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় জেলা প্রশাসক আবু সেলিম মাহমুদ উল হাসান জানান, ঘূর্ণিঝড় মোখা মোকাবিলায় সোনাগাজী উপজেলার সরকারি দপ্তরের ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
খুলনায় ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’ মোকাবিলার জন্য ৪০৯টি আশ্রয়কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এ ছাড়াও উপকূলের মানুষকে ঘূর্ণিঝড়ের বিষয়ে সচেতন করা হচ্ছে।
ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’। দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থানরত গভীর নিম্নচাপটি ঘণীভূত হয়ে একই এলাকায় ঘূর্ণিঝড় ‘মোখা’য় পরিণত হয়েছে। শনিবার সন্ধ্যার পর থেকে রবিবার ভোরের মধ্যে এটি আঘাত হানতে পারে। এ ঘূর্ণিঝড় রূপ নিতে পারে সুপার সাইক্লোনে। বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপের প্রভাবে এখন সাগর উত্তাল।
কোথায় আছড়ে পড়বে ঘূর্ণিঝড় ‘মোকা’? কখন আছড়ে পড়তে চলেছে? শুধুই কি ঘূর্ণিঝড়, নাকি অতিপ্রবল ঘূর্ণিঝড়ের রূপ নিয়ে আছড়ে পড়বে?
নির্বাচনের সময় যেকোনো চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় পুলিশ প্রস্তুত বলে মন্তব্য করেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন।
প্রতি বছরের ন্যায় পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে এবারও বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে পাঁচটি ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হবে।
১৪৪৪ হিজরির আখেরি জুমায় অংশ নিতে বায়তুল মোকাররমে মুসল্লিদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে।শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে মসজিদে মুসল্লিরা প্রবেশ করতে শুরু করেন। সময়ের সাথে সাথে মুসল্লিদের আনাগোনা বাড়তে থাকে। অনেকেই প্রখর রোদ উপেক্ষা করেই দূরদূরান্ত থেকে ছুটে এসেছেন রমজানের শেষ জুমার নামাজ আদায় করতে।
দেশের প্রতিটি ব্যাটালিয়নের পক্ষ থেকে ঘরমুখো মানুষকে সেবা দেওয়ার জন্য বাস টার্মিনাল, রেল স্টেশন, লঞ্চ টার্মিনাল, ফেরিঘাট ও গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগম হয় এমন স্থানগুলোতে ‘র্যাব সাপোর্ট সেন্টার’ স্থাপন হবে। ঈদের দুদিন আগে ও ঈদের পরের দিন পর্যন্ত এসব সাপোর্ট সেন্টারের কার্যক্রম চলবে।