মোবাইল ব্যাংকিং সেবা এখন শুধু আর্থিক লেনদেনের মাধ্যম নয়, বরং তা হয়ে উঠেছে অর্থ পাচার, ঘুস, অনলাইন জুয়া, সন্ত্রাসী অর্থায়ন ও ক্রিপ্টোকারেন্সি ট্রেডিংয়ের মতো অবৈধ কার্যক্রমের অন্যতম প্ল্যাটফর্ম-এমনটাই জানাল ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)।
মোবাইল ব্যাংকিং
মোবাইলে ব্যাংকিং বা আর্থিক সেবার (এমএফএস) লেনদেনের সীমা বাড়ানো হয়েছে। এর ফলে এখন আগের চেয়ে বেশি টাকা জমা বা ক্যাশ ইন এবং উত্তোলন (ক্যাশ আউট) করা যাবে।
মৌলভীবাজার সদর মডেল থানা পুলিশের অভিযানে ২ মোবাইল ব্যাংকিং প্রতারক চক্রের সদস্যকে আটক করেছে পুলিশ।
চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের প্রথম ৬ মাসে (১ জুলাই থেকে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত) মোবাইল আর্থিক সেবার মাধ্যমে ৬ লাখ ৮১ হাজার ৯২ কোটি টাকা লেনদেন হয়েছে। জাতীয় সংসদে এ তথ্য জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আবুল হাসান মাহমুদ আলী।
দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে টাকা পাঠানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হয়ে দাঁড়িয়েছে মোবাইল ব্যাংকিং সেবা।
চলতি বছরের জানুয়ারিতে মোবাইলে আর্থিক সেবার (এমএফএস) মাধ্যমে এক লাখ ৫৯৩ কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে। একই সময়ে গ্রাহক সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ১৩৭ জন। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।
সাত মাসের ব্যবধানে দেশে মোবাইল ব্যাংকিংয়ে গ্রাহক সংখ্যা বেড়েছে ১ কোটি ৫৪ লাখ ৮৫ হাজার ৪৯৫টি। জানুয়ারি শেষে নিবন্ধিত হিসাব বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯ কোটি ৪১ লাখ ২৫ হাজার ১৩৭টি। গত বছরের জুন শেষে যার সংখ্যা ছিলো ১৭ কোটি ৮৬ লাখ ৩৯ হাজার ৬৪২টি।
বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে অস্থায়ী লাইসেন্স নিয়ে নগদের মোবাইল ব্যাংকিং কার্যক্রম কেন অবৈধ না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।
চলতি অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে নগদ, বিকাশসহ সব মোবাইল ব্যাংকিং কোম্পানির করপোরেট কর বাড়ানো হয়েছে। ফলে বিকাশ, নগদ, রকেট ও এমক্যাশসহ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের খরচ বাড়বে। বৃহস্পতিবার (৩ জুন) জাতীয় সংসদে বাজেট ঘোষণায় অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বলেন, পাবলিকলি ট্রেডেড এমএফএস প্রতিষ্ঠানের করপোরেট কর ৩২ দশমিক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ৪০ শতাংশ করার প্রস্তাব করছি।