ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সমঝোতা স্মারক লঙ্ঘনের ঘটনায় ওয়াশিংটনকে অবিশ্বস্ত ও প্রতারক হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনি। তিনি অভিযোগ করেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্টদের স্বাক্ষরিত চুক্তির কোনো মূল্য বা বিশ্বাসযোগ্যতা নেই।
যুক্তরাষ্ট
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে পালটাপালটি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে আবার পুরোদমে যুদ্ধ ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প আগেই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে গত মাসে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) শর্তগুলো ওয়াশিংটন আর মানবে না। শনিবার ইরানও এমওইউ সম্পর্কে একই অবস্থানের কথা জানিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি ইরান হুঁশিয়ারি দিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র এভাবে আর দু-তিন দিন হামলা চালালে তেহরান ‘সর্বাত্মক অভিযান’ শুরু করবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সেনাবাহিনী ও বাংলাদেশ সশস্ত্র বাহিনীর বার্ষিক দ্বিপক্ষীয় যৌথ সামরিক মহড়া ‘টাইগার লাইটনিং ২৬’ আজ রবিবার থেকে শুরু হচ্ছে। মহড়ায় দুই দেশের ১৬০ জনের বেশি সামরিক সদস্য অংশ নেবেন।
ব্রাজিল থেকে আমদানি করা নির্দিষ্ট কিছু পণ্যের ওপর ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির বাণিজ্য প্রতিনিধি জেমিসন গ্রিয়ার বুধবার রাতে এ সিদ্ধান্তের ঘোষণা দেন।
ইরানের হরমোজগান প্রদেশের বান্দার-ই খামির সেতুতে যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় সাতজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ৯ জন আহত হয়েছেন।
যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধাপরাধ করার অভিযোগ তুলেছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচি। তিনি বলেন, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ অবকাঠামোতে হামলা এবং সেতু ও বিদ্যুৎকেন্দ্রে হামলার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপরাধমূলক উদ্দেশ্য’ প্রকাশ করে।
মধ্যপ্রাচ্যে আবারও নতুন করে সংঘাত দেখা দিয়েছে। ইরানের ওপর ব্যাপক হামলা চালাচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। জবাবে বাহরাইন, কাতার ও সৌদি আরবের মতো দেশগুলোতে মোতায়েন মার্কিন সেনা ও অবকাঠামোর ওপর ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান।
টানা ষষ্ঠ রাতের মতো ইরানে বড় ধরনের হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। ইরানের দক্ষিণাঞ্চলের বন্দর নগরী বন্দর আব্বাসের কর্মকর্তাদের দাবি, হামলায় বিদ্যুৎ স্থাপনা ও রেলস্টেশনসহ বিভিন্ন বেসামরিক অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
ইরানের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে একটি ক্যান্সার হাসপাতালের কাছে বোমা হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
গণতান্ত্রিক কঙ্গো প্রজাতন্ত্রে (ডিআরসি) দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ইবোলা প্রাদুর্ভাবের কারণে দেশটি থেকে ফেরা মার্কিন নাগরিক ও মার্কিন জাতীয়দের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নতুন বিধিনিষেধ আরোপ করেছে ওয়াশিংটন।