মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন বলেছেন, রাশিয়া যে কোন সময় ইউক্রেন দখল করে নেবে বলে তিনি মনে করেন। বেলারুশে রাশিয়ার সৈন্য মোতায়েন এবং মহড়া অব্যাহত রাখা তাকে উদ্বিগ্ন করে তুলেছে।
- মসজিদে নামাজরত অবস্থায় মুসল্লির মৃত্যু
- * * * *
- বিশ্বকাপ ফাইনাল দেখবেন ট্রাম্প, স্টেডিয়াম পাহারা দেবে এফ-১৬ যুদ্ধবিমান
- * * * *
- মুন্সিগঞ্জে কনস্ট্রাকশন সাইটে ডাকাতি: গ্রেফতার ১৯, মালামাল উদ্ধার
- * * * *
- সিরাজগঞ্জে ফুটবল খেলাকে কেন্দ্র করে ছুরিকাঘাতে যুবক নিহত
- * * * *
- অস্কারজয়ী অভিনেত্রীর মৃত্যু
- * * * *
রাশিয়া
ইউক্রেন সীমান্তে রাশিয়া এক লক্ষাধিক সৈন্য মোতায়েন করার পশ্চিমা নেতাদের ভাষায় "যে কোন সময়" সামরিক অভিযানের আশংকার মধ্যেই আজ বেলারুস বলেছে - রুশ সৈন্যদের সাথে তাদের যে যৌথ সামরিক মহড়া চলছিল, ইউক্রেনে উত্তেজনার কারণে তার মেয়াদ বাড়ানো হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের কাছে যেসব গোয়েন্দা তথ্য আছে সে অনুসারে আজ বুধবারই ইউক্রেনে রাশিয়া সামরিক আগ্রাসন চালাতে পারে। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টও এজন্য প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন।
ইউক্রেনের নেতা এবং তার প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা সহকারীরা রাশিয়ার নেতা ভ্লাদিমির পুতিনের উদ্দেশ্যকে তাদের অনেক পশ্চিমা প্রতিপক্ষের থেকে ভিন্নভাবে মূল্যায়ন করছেন। আট বছর ধরে রাশিয়ার ক্রমাগত উস্কানি এবং পূর্ব ইউক্রেনে দীর্ঘস্থায়ী যুদ্ধের পরে তারা কি আরো বেশি নির্বিকার হয়ে পড়ছে নাকি তাদের রাশিয়ান প্রতিপক্ষকে ঠিক মতো বুঝতে পারছে না?
রাশিয়ার জনসংখ্যা গত এক বছরে ১০ লাখেরও বেশি কমেছে। সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর থেকে জনসংখ্যা এভাবে কমেনি দেশটিতে।
ইউক্রেনকে নেটো সামরিক জোটে ঢুকতে না দেয়ার যে দাবি রাশিয়া জানাচ্ছে, যুক্তরাষ্ট্র তা নাকচ করে দিয়েছে। রাশিয়া যখন ইউক্রেনে হামলা চালাতে পারে বলে আশংকা করা হচ্ছে, তখন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিনকেন রাশিয়ার কাছে পাঠানো এক আনুষ্ঠানিক জবাবে একথা জানিয়েছেন।
ইউক্রেনে রুশ অভিযান 'অত্যাসন্ন' - এমন আশংকার মধ্যে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ্যান্টনি ব্লিংকেন "কূটনৈতিক ও শান্তিপূর্ণ পথ নেবার জন্য" রাশিয়ার প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।
ইউক্রেনে কোনও রকমের সামরিক আগ্রাসন চালালে রাশিয়াকে মারাত্মক পরিণতি বরণ করতে হবে বলে আবারও হুমকি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।
রাশিয়া আনুষ্ঠানিকভাবে ওপেন স্কাই ট্রিটি থেকে বেরিয়ে গেছে। সাবেক সোভিয়েত ইউনিয়নের পতনের পর ১৯৯২ সালে এই চুক্তি সই হয় এবং ২০০২ সালে তা কার্যকর হয়।
ভিডিও লিংকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন ও রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের এক বৈঠকের পর যুক্তরাষ্ট্র বলেছে, ইউক্রেনে রুশ অভিযানের আশঙ্কার প্রেক্ষাপটে ‘কড়া অর্থনৈতিক ও অন্যান্য ব্যবস্থা’ নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা।