এই পানীয়ের জনপ্রিয়তা এত বেশি যে জাপানের সুপারমার্কেটে হাইড্রোজেন ওয়াটারের ভেন্ডিং মেশিন পর্যন্ত বসানো হয়েছে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা
শীত মানেই একদিকে সুস্বাদু সবজির প্রাচুর্য, অন্যদিকে ঠান্ডাজনিত রোগের আশঙ্কা। তাই এই মৌসুমে শরীরের প্রতিরোধক্ষমতা মজবুত রাখা জরুরি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সাপ্লিমেন্টের দিকে দৌড় না দিয়ে শীতের কিছু বিশেষ সবজি নিয়মিত খেলে স্বাভাবিকভাবেই রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হয়।
স্মুদি এখন সুস্বাদু পানীয় হিসেবে বেশ জনপ্রিয়। সাধারণত সব ধরনের ফল, সবুজ শাকসবজি, দুধ, বাদাম, মধু দিয়ে সমন্বয়ে তৈরি হয়।
শীত এলে অনেকেরই বেড়ে যায় জয়েন্টের ব্যথা। একই সঙ্গে ঠান্ডা আবহাওয়ায় কমতে শুরু করে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা।
বৃষ্টির ফোঁটা এবং মনোরম আবহাওয়া যেমন স্বস্তি ও আনন্দ নিয়ে আসে, তেমনি বিভিন্ন সংক্রমণ ও রোগের জন্য অনুকূল পরিবেশও তৈরি করে।
বর্ষায় বিভিন্ন সংক্রমণ জাতীয় রোগবালাইয়ের প্রকোপ বাড়ে। বৃষ্টিতে ভিজে সর্দিকাশি হওয়া তো আছেই, সেই সঙ্গে পেটের গোলমালও লেগে থাকে। এ সময়ে সুস্থ থাকতে খাদ্যাভ্যাসে বদল আনা জরুরি।
শীত বাড়তেই ঘরে ঘরে সর্দিকাশি লেগেই আছে। বাড়ির বড়রা এই সময় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হরেক রকমের ফল খেতে বলেন।
একাকিত্বের কারণেও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল হতে পারে। চারপাশে নানান সংক্রামক রোগের প্রকোপ যেখানে লেগেই আছে সেখানে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী হওয়াটা খুবই জরুরি।
প্রতিটি মানুষের শরীরে প্রাকৃতিকভাবে রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা থাকে। যার কাজ হলো শরীরের ক্ষতি করে এমন কিছু, ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ইত্যাদি প্রবেশ করতে চাইলে তার সাথে লড়াই করে তাকে বাধা দেয়া।
করোনাভাইরাসের দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ধরন ওমিক্রনের সংক্রমণ চলতি মাসের শেষের দিকেই হ্রাস পেতে পারে। একই সঙ্গে এটি দেশে অতি উচ্চ মাত্রার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও রেখে যেতে পারে বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করছেন বিশেষজ্ঞরা।