সারা দিনের ক্লান্তি কাটাতে এক কাপ ব্লাক কফি। একটা সময় ভাবা হত কফি খেলে হার্ট নষ্ট হয়, রক্তচাপ বাড়ে, ঘুম হয় না। আর এই তিনটি সমস্যাই যেহেতু করোনাভাইরাসের পথ প্রশস্ত করে, ভয় একটু ছিলই। সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা আশ্বস্ত করলেন, বিভিন্ন গবেষণায় প্রমাণিত হয়েছে, কফি খাওয়া হার্টের জন্য খারাপ নয় বরং কিছু কিছু ক্ষেত্রে ভাল।
লাইফস্টাইল
কিছু মানুষের মেটাবলিজম কম থাকে, ফলে তাঁরা পানি খেয়েও মোটা হন। কেউ প্রতিদিন ভরপুর খেয়েও ওজন বাড়ে না, কারণ তাঁদের মেটাবলিজম বেশি। আর এই ওজন বাড়া–কমার মধ্যে করোনাভাইরাস হওয়ার ও তার জটিলতার আশঙ্কা অনেকটাই লুকিয়ে থাকে। তবে আনন্দের বিষয়, চিকিৎসক ও বিজ্ঞানীদের কাছে এমন কিছু অস্ত্র আছে যার সাহায্যে তাঁরা শরীরের বিপাক ক্রিয়া বাড়িয়ে দেওয়ার ওষধ দিতে পারেন। তারপর তা বজায় রেখে চলতে পারলে আর ওজন নিয়ে ভাবতে হয় না।
একটা বিষয়ে হয়তো অনেকেই এক মত হবেন যে, সাধারণ প্রেমের গল্পের চেয়ে পরকীয়ার ‘মশলাদার’ গল্প অনেক বেশি মুখরোচক আর অনেক বেশি আকর্ষণীয়! একই কারণে পরকীয়া সম্পর্কের প্রতি ঝোঁকটাও অনেক বেশি। তবে ইচ্ছে থাকলেও বিপদে পড়ার ভয়ে বা প্রতারিত হওয়ার আশঙ্কায় পরকীয়া সম্পর্কের ধারে-কাছেও ঘেঁষেন না অনেকেই।
কোভিড-১৯ মহামারি পরিস্থিতিতে বিশ্বের প্রায় সব দেশেই মানুষের দিনযাপন আমূল বদলে গেছে। ছোট থেকে বড় অজস্র মানুষ পড়াশোনা থেকে কাজকর্ম সব কিছুর জন্যেই অনলাইনে নির্ভরশীল। এই জন্যে দিনের অনেকটা সময় কাটাতে হয় কম্পিউটার বা মোবাইলের স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে।
খুসকির সমস্যায় অনেকেই রয়েছেন। একটু সতর্ক হলেই খুসকির হাত থেকে মুক্তি পাওয়া কঠিন নয়। ম্যালাসাজিয়া ফুরফুর নামে এক বিশেষ ধরনের ছত্রাকের সংক্রমণ বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই খুসকির জন্য দায়ী, তবে অন্যান্য কারণেও খুসকির সমস্যা দেখা যায়।
পুষ্টিগুণের জন্য এবং অন্যান্য ফলের তুলনায় দামে সস্তা হওয়ায় কলা অনেকের কাছেই খুব প্রিয় খাদ্য। অনেকেই দিনে বেশ কয়েকটি কলা খেয়ে পেটের খিদে মেটান। এই ফল খেলে দেহের পুষ্টি যোগাবে ঠিকই।
ভার্চুয়াল বৈঠক, ওয়েবিনারের ফলে সর্বক্ষণ কানে অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। ছোটদের ক্ষেত্রে অনলাইন ক্লাসও বড় রকমের ক্ষতি করছে।
সাধারণ অবস্থায় মা-বাবা কাজেকর্মে ব্যস্ত থাকেন। সন্তান যায় স্কুলে, খেলার মাঠে, কোচিং ক্লাসে। দেখা সাক্ষাৎ হয় কম। যতটুকু হয়, আদরে-বকুনিতে কেটে যায়।
করোনাভাইরাসের আতঙ্ক এমন-যে মুখ ও দাঁতের বড় সমস্যাতেও টুকটাক ওষুধ, মাউথওয়াশ, গরম সেঁক, লবঙ্গ-তেল ইত্যাদির সাহায্যে দিন কাটাচ্ছেন মানুষ।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেব অনুযায়ী ২০৩০ সালে বিশ্বে ডায়াবিটিস রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াতে পারে ৩৬৬ মিলিয়নে।