লক্ষ্মীপুরে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে বিনা রক্তপাত ও ব্যাথামুক্তভাবে ২ হাজার ৩০০ শিশুর সুন্নাতে খতনা করানো হয়েছে।
শিশুর
গাজীপুরে বিষক্রিয়ায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছে আরেক শিশু। রোববার সকালে ইপসা গেট এলাকায় এই ঘটনা ঘটে।
গত বছর ভারত ও ইন্দোনেশিয়ার কয়েকটি ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থার তৈরি দূষিত কাশির ওষুধ সেবন করে তিন দেশে কমপক্ষে ৩০০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার পর এবার এক বিশেষ তদন্ত শুরু করতে চলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।
নিপাহ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এবার এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (২৩ জানুয়ারি) সকালে রামেক হাসপাতালের আইসিইউতে তার মৃত্যু হয়। অবস্থার অবনতি হওয়ায় সাধারণ ওয়ার্ড থেকে তাকে আইসিইউতে স্থানান্তর করা হয়েছিল।
রাজবাড়ীর কালুখালীতে আগুনে পুড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২০ জানুয়ারি) বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (বশেমুমেক)এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুই শিশুর মৃত্যু হয়।
নওগাঁয় ডোবার পানিতে পড়ে খাতিজা (৫) ও আবদুল্লাহ (৫) নামের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় নওগাঁ পৌরসভার দূর্গাপুর চকপিয়ার গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আফ্রিকার গাম্বিয়ার পরে এবার এশিয়ার উজবেকিস্তান। আবার ভারতে তৈরি সর্দি-কাশির সিরাপ খেয়ে বহু শিশুর মৃত্যুর অভিযোগ উঠল। উজবেকিস্তানের স্বাস্থ্য দফতর বুধবার জানিয়েছে, ভারতীয় ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থা ম্যারিয়ন বায়োটেক প্রাইভেট লিমিটেডের তৈরি কাশির সিরাপ খেয়ে এখন পর্যন্ত ১৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
মাদারীপুরের সদর উপজেলায় পুকুরের পানিতে ডুবে আফিয়া নামে আড়াই বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।আাজ রোববার (১১ ডিসেম্বর) সকালে উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের পাঁচখোলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
মাদারীপুর সদর উপজেলায় ছিটকিনি আটকানো অবস্থায় ঘরের ভেতরে আগুনে পুড়ে দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে।সোমবার (৫ ডিসেম্বর) দুপুরে উপজেলার ঘটমাঝি ইউনিয়নের উত্তর ঝিকরহাটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
শীত মৌসুম আসতেই শিশুদের শ্বাসকষ্ট ও ঠাণ্ডাজনিত রোগের প্রকোপ দেখা দিয়েছে ময়মনসিংহে। বেড়েছে মৃত্যুর হারও। গতকাল রবিবার সকাল ১০টা পর্যন্ত তিন দিনে ময়মনসিংহ মেডিক্যাল কলেজ (মমেক) হাসপাতালে শ্বাসকষ্ট ও ঠাণ্ডাজনিত রোগে ৩৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। ১১০ শয্যার (বেড) বিপরীতে ভর্তি ছিল ৬১৩টি শিশু।