শীতকাল এলে পানির সঙ্গে আড়ি করেন অনেকেই। পানি পানের পরিমাণও কমিয়ে দেন। মনে করেন, পানি কম খেলে, বাথরুমে কম যেতে হবে। আবার কেউ কেউ মনে করেন, যতই শীত পড়ুক অন্তত ৩/৪ লিটার পানি খেতেই হবে।
শীতকাল
শীতকাল শুধু কুয়াশা ও ঠান্ডা নয়, এসময় সংক্রমণ ও অসুস্থতার ঝুঁকিও যায়। তাই এই ঋতুতেই প্রকৃতি আমাদের এমন কিছু মৌসুমি ফল ও সবজি দেয় যা শরীরের ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী রাখতে সাহায্য করে।
শীতকাল মুমিনের জন্য বিশেষ নেয়ামত। কারণ এ মৌসুমে দিন ছোট, রাত দীর্ঘ—ইবাদত-বন্দেগি করার সুযোগও বেশি। রাসুলুল্লাহ (স.) ইরশাদ করেছেন, ‘শীতকাল হচ্ছে মুমিনের বসন্তকাল।’ (মুসনাদে আহমাদ: ১১৬৫৬)
কুয়াশা ঘেরা শীতের সকালে শুষ্ক আর ঠান্ডা আবহাওয়ায় নাজেহাল হয়ে পড়ছেন? তাহলে দিনের শুরুটা করতে পারেন কিশমিশ দিয়েই।
স্ট্রবেরি। এই রসালো ফল কেবল সুস্বাদুই নয়, বরং এর প্রচুর স্বাস্থ্য উপকারিতাও রয়েছে। আপনি কি জানেন কেন এটি আপনার শীতকালীন খাদ্যতালিকায় যোগ করা বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ?
শীতকাল মানেই সর্দি-কাশি আর ফ্লুর প্রকোপ। এই ঠান্ডা-সংক্রান্ত সমস্যাগুলো থেকেই শিশু থেকে শুরু করে বড়দেরও কানের ইনফেকশন (Ear Infection) বা কানের ব্যথা বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।
শীতকালে শরীরকে উষ্ণ ও শক্তিশালী রাখতে আমন্ড বাদাম খাওয়া খুব উপকারী।
শীতে অ্যালার্জিসহ নানা রোগের ঝুঁকি বেড়ে যায়। শীতে ত্বকের শুষ্কভাব চুলকানি, ত্বক লালচে হয়ে ফুলে যাওয়া বা ফুসকুড়ির সমস্যা বেড়ে যায়।
শীতকালে মাথার খুশকি একটি কমন সমস্যা। বেশিরভাগ মানুষই এই সমস্যায় ভোগেন। তবে ঘরোয়া উপায়ে খুব সহজেই এটি নির্মূল করা যায়।
শীত পড়লে শরীর সুস্থ রাখতে অনেকে আজও ঘরোয়া টোটকায় বিশ্বাসী। আগের প্রজন্মকে দেখে পরের প্রজন্ম শেখে।