টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলের নেমে আসা পানিতে শেরপুরের পাঁচ উপজেলার দুই শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। গত ৩৫ বছরের মধ্যে এমন ভয়াবহ পরিস্থিতির কবলে পড়েনি জেলার বাসিন্দারা। বন্যায় এখন পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে।
শেরপু
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল আর ভারী বৃষ্টিতে শেরপুরে এ পর্যন্ত ৭ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।রোববার (৬ অক্টোবর) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান।
বগুড়ার শেরপুরে ফুটবল খেলার সময় বজ্রপাতে ২ স্কুলছাত্র নিহত ও অপর ৭ জন আহত হয়েছে।
টানা ভারী বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে আকস্মিক বন্যায় শেরপুর ও ময়মনসিংহের বেশ কিছু অংশ তলিয়ে গেছে। শেরপুরের নালিতাবাড়ী, শ্রীবরদী ও ঝিনাইগাতী উপজেলায় কমপক্ষে ১১৩টি গ্রাম এবং ময়মনসিংহের ধোবাউড়ায় ৫০টি গ্রাম বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে।
রাতভর ভারী বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে শেরপুরের ঝিনাইগাতীর মহারশি নদীর পানি বেড়ে নিম্নাঞ্চলে ঢুকছে। এতে নদীপাড়সহ আশপাশের নিম্নাঞ্চলে পানি ব্যাপক হারে বাড়ছে।
শেরপুরের তাওয়াকুচা সীমান্তের রাঙাজান এলাকা থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের চেষ্টাকালে আজিজুল হক (৩৮) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।
শেরপুরের শ্রীবরদীতে নিজ বসতঘর থেকে ফেরদৌস মিয়া (৪০) নামের এক কৃষকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।
শেরপুর সদরে নদীতে গোসল করতে নেমে আলিফ মিয়া (১০) নামের এক স্কুলছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।
শেরপুরের শ্রীবরদীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মিজানুর রহমান মিজান (১৮) নামে এক শিক্ষার্থী মারা গেছেন। এছাড়া দুজন আহত হয়েছেন।মঙ্গলবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টায় শ্রীবরদী উপজেলার গোশাইপুর ইউনিয়নের ভারেরা গ্রামে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
শেরপুর জেলা কারাগার থেকে পলাতক ৩০ বছরের সাজাপ্রাপ্ত হত্যা মামলার আসামি ফিরোজ মিয়া (৩৫) কে গ্রেফতার করেছে র্যাব-১৪।