সওয়াব

গরমের দিনে যেসব আমলের সওয়াব বেশি

গরমের দিনে যেসব আমলের সওয়াব বেশি

গ্রীষ্মের খরতাপে পুড়ছে দেশ। তাপমাত্রা প্রতিদিন বেড়েই চলেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। এমন অস্বস্তিকর অবস্থায় মুমিনদের জন্য রয়েছে সওয়াব অর্জনের সুবর্ণ সুযোগ।

জুমার দিন ১৫ আমলের বিশেষ সওয়াব

জুমার দিন ১৫ আমলের বিশেষ সওয়াব

জুমাবার একটি মর্যাদাপূর্ণ দিন। এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘দিবসসমূহের মধ্যে জুমার দিন শ্রেষ্ঠ এবং তা আল্লাহর কাছে অধিক সম্মানিত।’ (ইবনে মাজাহ: ১০৮৪)। 

মুমূর্ষু রোগীকে রক্ত দেওয়ার সওয়াব

মুমূর্ষু রোগীকে রক্ত দেওয়ার সওয়াব

মানব সেবা মহান আল্লাহকে খুশি করার অন্যতম মাধ্যম। নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত ইত্যাদি ইবাদতের মাধ্যমে যেমন আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়া যায়, পাপমুক্ত হওয়া যায়। তেমনি মানব সেবার মাধ্যমে তাঁর সন্তুষ্টি পাওয়া যায়।

রোজাদারের সওয়াব ও মর্যাদা সম্পর্কে হাদিসে যা আছে

রোজাদারের সওয়াব ও মর্যাদা সম্পর্কে হাদিসে যা আছে

রমজানের রোজা ইসলামের অন্যতম রোকন এবং ফরজ ইবাদত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘হে ঈমানদাররা! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর; যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বনকারী হতে পারো।’ (সুরা বাকারা: ১৮৩)

ওমরার সওয়াব ও নানা উপকার

ওমরার সওয়াব ও নানা উপকার

ওমরা শব্দের অর্থ জিয়ারত করা, পরিদর্শন করা ও সাক্ষাৎ করা। পবিত্র কাবাঘরের জিয়ারতই মূলত ওমরা। ইসলামের ভাষায় হজের সময় ছাড়া অন্য যেকোনো সময় পবিত্র কাবাঘরের তাওয়াফসহ নির্দিষ্ট কিছু কাজ করাকে ওমরা বলে।

মুসাফাহা করার ফজিলত ও সওয়াব

মুসাফাহা করার ফজিলত ও সওয়াব

পরস্পরের মাঝে হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা ইসলামের শিক্ষা। সম্পর্ক বজায় রাখতে আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করি। এরমধ্যে একে অপরের সাথে দেখা সাক্ষাৎ একটি পদ্ধতি। সাক্ষাতের সময় প্রথমেই আমরা সালাম বিনিময় করি এবং মুসাফাহা করি। এ সম্পর্কে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমরা একে অপরের সঙ্গে মুসাফাহা করো, এতে তোমাদের অন্তরে বিদ্যমান প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষ দূর হয়ে যাবে। একে অন্যকে হাদিয়া প্রদান করো, এতে হৃদ্যতা সৃষ্টি হবে এবং শত্রুতা ও ঘৃণা দূরীভূত হবে।’ (আবু দাউদ : ৫২১২)। 

ফরজ নামাজের পর যেসব আমল করবেন

ফরজ নামাজের পর যেসব আমল করবেন

মুমিনের প্রতিটি কাজ ও মুহূর্ত আমল ও ইবাদত। যখন সবকিছু আল্লাহর হুকুম ও রাসুল (সা.)-এর সুন্নত অনুযায়ী হয়, তখন সবকিছু ইবাদতে পরিণত হয় এবং সওয়াবযোগ্য হয়। আল্লাহ তাআলা বান্দার জন্য এর সবকিছু পুণ্যময় করে দেন।

৮ আমলে হজ ও ওমরার সওয়াব

৮ আমলে হজ ও ওমরার সওয়াব

হজের মওসুম শেষ হয়েছে। আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা যাদেরকে হজ করার তাওফিক দিয়েছেন, সন্দেহাতীতভাবে তারা সৌভাগ্যবান। অন্য দিকে এই দুনিয়াতে আল্লাহর বহু বান্দা রয়েছেন যারা হজ ও উমরাহ করার জন্য অন্তরে প্রচণ্ড আগ্রহ লালন করেন, অথচ হজ অথবা উমরাহ করার তাওফিক তাদের হয়নি।