গ্রীষ্মের খরতাপে পুড়ছে দেশ। তাপমাত্রা প্রতিদিন বেড়েই চলেছে। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে জনজীবন অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে। এমন অস্বস্তিকর অবস্থায় মুমিনদের জন্য রয়েছে সওয়াব অর্জনের সুবর্ণ সুযোগ।
- শিক্ষকদের এপ্রিল মাসের এমপিও বিল জমা দেওয়ার সময় জানাল মাউশি
- * * * *
- গণঅভ্যুত্থানের নারীদের অর্জন সংরক্ষণে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবি
- * * * *
- আসছে শাহরুখ-অ্যাটলি জুটির ব্লকবাস্টার সিক্যুয়েল
- * * * *
- ৯ মাসে ইবনে সিনার মুনাফা ১৮ শতাংশ প্রবৃদ্ধি
- * * * *
- ‘আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে জ্বালানির দামে মিল নেই’
- * * * *
সওয়াব
মৃত ব্যক্তির জীবদ্দশায় করা এমন কিছু আমল আছে, যা জীবিত অবস্থায় করেছিল, মৃত্যুর পরও তার সওয়াব তার আমলনামায় যোগ হতে থাকে।
জুমাবার একটি মর্যাদাপূর্ণ দিন। এ প্রসঙ্গে রাসুলুল্লাহ (স.) বলেন, ‘দিবসসমূহের মধ্যে জুমার দিন শ্রেষ্ঠ এবং তা আল্লাহর কাছে অধিক সম্মানিত।’ (ইবনে মাজাহ: ১০৮৪)।
মহররম হিজরি বর্ষপঞ্জির প্রথম মাস। এ মাস তাৎপর্যমণ্ডিত ও বরকতময়।
মানব সেবা মহান আল্লাহকে খুশি করার অন্যতম মাধ্যম। নামাজ, রোজা, হজ, জাকাত ইত্যাদি ইবাদতের মাধ্যমে যেমন আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়া যায়, পাপমুক্ত হওয়া যায়। তেমনি মানব সেবার মাধ্যমে তাঁর সন্তুষ্টি পাওয়া যায়।
রমজানের রোজা ইসলামের অন্যতম রোকন এবং ফরজ ইবাদত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, ‘হে ঈমানদাররা! তোমাদের ওপর রোজা ফরজ করা হয়েছে, যেমন ফরজ করা হয়েছিল তোমাদের পূর্ববর্তীদের ওপর; যাতে তোমরা তাকওয়া অবলম্বনকারী হতে পারো।’ (সুরা বাকারা: ১৮৩)
ওমরা শব্দের অর্থ জিয়ারত করা, পরিদর্শন করা ও সাক্ষাৎ করা। পবিত্র কাবাঘরের জিয়ারতই মূলত ওমরা। ইসলামের ভাষায় হজের সময় ছাড়া অন্য যেকোনো সময় পবিত্র কাবাঘরের তাওয়াফসহ নির্দিষ্ট কিছু কাজ করাকে ওমরা বলে।
পরস্পরের মাঝে হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখা ইসলামের শিক্ষা। সম্পর্ক বজায় রাখতে আমরা বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করি। এরমধ্যে একে অপরের সাথে দেখা সাক্ষাৎ একটি পদ্ধতি। সাক্ষাতের সময় প্রথমেই আমরা সালাম বিনিময় করি এবং মুসাফাহা করি। এ সম্পর্কে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘তোমরা একে অপরের সঙ্গে মুসাফাহা করো, এতে তোমাদের অন্তরে বিদ্যমান প্রতিহিংসা ও বিদ্বেষ দূর হয়ে যাবে। একে অন্যকে হাদিয়া প্রদান করো, এতে হৃদ্যতা সৃষ্টি হবে এবং শত্রুতা ও ঘৃণা দূরীভূত হবে।’ (আবু দাউদ : ৫২১২)।
মুমিনের প্রতিটি কাজ ও মুহূর্ত আমল ও ইবাদত। যখন সবকিছু আল্লাহর হুকুম ও রাসুল (সা.)-এর সুন্নত অনুযায়ী হয়, তখন সবকিছু ইবাদতে পরিণত হয় এবং সওয়াবযোগ্য হয়। আল্লাহ তাআলা বান্দার জন্য এর সবকিছু পুণ্যময় করে দেন।
হজের মওসুম শেষ হয়েছে। আল্লাহ সুবহানাহু তায়ালা যাদেরকে হজ করার তাওফিক দিয়েছেন, সন্দেহাতীতভাবে তারা সৌভাগ্যবান। অন্য দিকে এই দুনিয়াতে আল্লাহর বহু বান্দা রয়েছেন যারা হজ ও উমরাহ করার জন্য অন্তরে প্রচণ্ড আগ্রহ লালন করেন, অথচ হজ অথবা উমরাহ করার তাওফিক তাদের হয়নি।