স্বেচ্ছাসেবক দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি এস এস জিলানী বলেছেন, ২০২৬ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে তারেক রহমানের নেতৃত্বে আগামীর দেশ হবে সম্প্রীতির বাংলাদেশ। সেই দেশ হবে সাম্য, মানবিকতা, সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, দখলদার ও দুর্নীতিমুক্ত বাংলাদেশ।
- বাহ্যিক সাজসজ্জা মানুষের মর্যাদার মানদণ্ড নয়
- * * * *
- মরক্কোর সঙ্গে ড্র : ৮৮ বছরের রেকর্ড অক্ষুণ্ন রাখল ব্রাজিল
- * * * *
- মৌলভীবাজার সীমান্তে বিজিবির গুলিতে ভারতীয় চোরাকারবারি আহত
- * * * *
- বিলাসপুরে কলাবাগানে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, বোমা তৈরির আলামত উদ্ধার
- * * * *
- আলি খামেনির শেষ বিদায়-দাফনের সময়সূচি ঘোষণা
- * * * *
সম্প্রীতি
দেশের স্থিতিশীলতা ও উন্নয়নের জন্য সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি অপরিহার্য বলে মন্তব্য করেছেন ধর্মবিষয়ক উপদেষ্টা ড. আ. ফ. ম. খালিদ হোসেন।
পাশের দেশ থেকে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির চেষ্টা করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। তিনি বলেন, দুর্গাপূজায় পাশের দেশে প্রধান উপদেষ্টার প্রতিকৃতি বানানো ও দেশে অসুরের মুখে দাঁড়ি ব্যবহার একই সূত্রে গাঁথা।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম বলেছেন, যার যার ধর্ম, তার তার কাছে। এখানে (বাংলাদেশে) সম্প্রীতিটাই মুখ্য বিষয়।
পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সুপ্রদীপ চাকমা বলেছেন, ‘সম্প্রীতি’ শুধু একটি শব্দ নয়, এটি একটি চর্চা—যা আমাদের সমাজকে শান্তি ও সৌহার্দ্যের পথে এগিয়ে নিয়ে যায়।
বাংলাদেশে সকল ধর্মীয় উৎসব যেন সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধনকে সুদৃঢ় করে—এমন মত প্রকাশ করেছেন দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় সম্প্রদায়ের নেতা, বুদ্ধিজীবী ও শিক্ষাবিদরা।
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, এবারের শারদীয় দুর্গাপূজা অনেক উৎসবমুখর হবে এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বন্ধন আরও দৃঢ় হবে।
প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, দেশে কোনো ইস্যু তৈরি করে কেউ ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্টের চেষ্টা করলে, তা বরদাশত করা হবে না।
দেশের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যেন কেউ নষ্ট করতে না পারে, সে জন্য সবাইকে সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস।
কমিটি ফর অল্টারনেটিভ ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন (সিএডিএফ) এর উদ্যোগে আয়োজিত কর্মশালায় মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান ও বৌদ্ধ ধর্মীয় নেতৃবৃন্দ জুলাই পরবর্তী শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে সকল ধর্ম ও শ্রেনী পেশা মানুষের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার উপর গুরুত্বারোপ করেছেন।