সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যার ঘটনায় করা মামলা তদন্তে আরও ৬ মাস সময় দিয়েছেন হাইকোর্ট। রাষ্ট্রপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মঙ্গলবার বিচারপতি ফাতেমা নজীব ও বিচারপতি শিকদার মাহমুদুর রাজীর হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
সাগর-রুনি
গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কার্যালয়ে থাকা সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার গুরুত্বপূর্ণ কিছু নথি আগুনে পুড়ে গেছে বলে হাইকোর্টকে জানিয়েছে রাষ্ট্রপক্ষ।
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ফের পিছিয়েছে। এ নিয়ে ১১৭ বারের মতো প্রতিবেদন জমার সময় বাড়ানো হলো।
চাঞ্চল্যকর সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল পিছিয়ে আগামী ১৫ এপ্রিল দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১১৬ বার পেছানো হয়েছে।
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের ১৩ বছর আজ। ২০১২ সালেরর ১১ ফেব্রুয়ারি নৃশংস হত্যাকাণ্ডের শিকার হন তারা। আলোচিত এই হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন পিছিয়েছে ১১৫ বার। তবু আশা ছাড়েনি পরিবার, বিচারের প্রতীক্ষায় দিন গুনছেন তারা। ঘুরছেন আদালতের বারান্দায়। আগামী ২ মার্চ তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য রয়েছে।
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ফের পিছিয়েছে। এ নিয়ে ১১ বারের মতো প্রতিবেদন জমার সময় বাড়ানো হলো।
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার তারিখ ১১৩ বারের মতো পিছিয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ২৩ ডিসেম্বর দিন ঠিক করেছেন আদালত।
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডের তদন্তভার নিয়ে তিন হাজার ২০১ পৃষ্ঠার মামলার নথি (কেস ডকেট) গ্রহণ করেছে তদন্ত সংস্থা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)।
উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স দল গঠন করে আগামী ছয় মাসের মধ্যে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত সম্পন্নের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।বুধবার (১৬ অক্টোবর) বিচারপতি ফারাহ মাহবুবের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চ এ পূর্ণাঙ্গ আদেশ দেন।
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের সময় ফের পিছিয়েছে। ৮ নভেম্বর নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। এ নিয়ে এ মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১১২ বার পেছানো হয়েছে।