গাজায় মানবিক সহায়তা নিয়ে যাওয়ার পথে আন্তর্জাতিক ত্রাণবহরের (ফ্লোটিলা) ওপর বড় ধরনের বাধা সৃষ্টি করেছে ইসরাইলি বাহিনী।
সুমুদ ফ্লোটিলা
গাজা অভিমুখে ৭০টিরও বেশি জাহাজ নিয়ে আবারও যাত্রা শুরু করেছে ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’। প্রায় এক হাজার স্বেচ্ছাসেবী এতে অংশ নিয়েছেন।
ইসরায়েল ভিত্তিক আইনগত প্রতিষ্ঠান আদালাহ জানিয়েছে, গাজায় সহায়তা নিয়ে যাওয়ার পথে আটক হওয়া ছয়জন সক্রিয়কর্মী এখনও ইসরায়েলের হেফাজতে রয়েছেন। এই আটকদের মধ্যে রয়েছে নরওয়ে, মরক্কো এবং স্পেনের নাগরিকরা। আদালাহ তাদের তৎক্ষণাৎ মুক্তি দাবি অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে কাতার ভিত্তিক সংবাদ সংস্থা আল জাজিরা।
সুমুদ ফ্লোটিলা থেকে আটক করা মানবাধিকারকর্মীদের মধ্যে ১৩৭ জনকে তুরস্কে পাঠানো হয়েছে বলে জানিয়েছে ইসরায়েলের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।
মানবিক সহায়তা নিয়ে ভূমধ্যসাগর থেকে গাজার দিকে এগিয়ে চলা আন্তর্জাতিক নৌবহর ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা’ নিয়ে এবার কথা বলেছেন খ্যাতিমান ইসলামিক স্কলার ড. মিজানুর রহমান আজহারি।
ভূমধ্যসাগরে ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা অভিমুখী ‘গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলার’ ১৩টি নৌযান আটক করেছে ইসরাইল।
ভূমধ্যসাগরে গাজা অভিমুখী আন্তর্জাতিক নৌবহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা এখন ইসরায়েল ঘোষিত তথাকথিত ‘বিপৎসীমায়’ প্রবেশ করেছে।
এ মাসের শুরুতে বার্সেলোনা থেকে প্রায় ৫১টি বেশি জাহাজ নিয়ে গাজার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলা। মূলত ইসরায়েলের সমুদ্র পথ অবরোধ ভেঙে গাজায় মানবিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে এটি যাত্রা করেছে। তবে যাত্রার পর থেকে একের পর এক বাধার সম্মুখীন হচ্ছে এটি।
ইসরায়েলি নৌ অবরোধ ভেঙে গাজায় সরাসরি ত্রাণ পৌঁছে দেওয়ার উদ্দেশে যাত্রা করা আন্তর্জাতিক ত্রাণবাহী বহর গ্লোবাল সুমুদ ফ্লোটিলাকে নিরাপত্তা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে ইউরোপীয় দেশ স্পেন ও ইতালি।
বহরটি ড্রোন হামলার শিকার হওয়ার পর সেটির নিরাপত্তায় এই দুই দেশ তাদের নৌবাহিনীর জাহাজ মোতায়েন করেছে।