ভারত শাসিত জম্মু-কাশ্মীরে সেনাবাহিনীর গাড়ি লক্ষ্য করে মুহুর্মুহু গুলি চালিয়েছে দুষ্কৃতিকারীরা।
- সীমান্তে বিএসএফকে জমি দিয়ে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে শুভেন্দু সরকার
- * * * *
- কবি আল মুজাহিদীর মৃত্যুতে প্রধানমন্ত্রীর শোক
- * * * *
- প্রধানমন্ত্রীর সুদূরপ্রসারী উন্নয়ন পরিকল্পনার সুফল প্রাপ্তি নিশ্চিত : সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী
- * * * *
- স্বর্ণ ব্যবসায়ীকে অপহরণ করে লুট, ৫ ভুয়া র্যাব সদস্য গ্রেফতার
- * * * *
- শেরপুরে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের মধ্যে চাল বিতরণ
- * * * *
সেনা
বিডিআর বিদ্রোহে নৃশংসভাবে ৫৭ সেনা অফিসারকে হত্যার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে জাতীয় সেনা দিবস ঘোষণা করায় অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেছেন নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল মোহাম্মদ নাজমুল হাসান।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান বলেছেন, আমরা নির্বাচনের দিকেই ধাবিত হচ্ছি, ১৮ মাসের কথা বলেছিলাম। ডিসেম্বরের মধ্যে একটা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন প্রত্যাশা করছি।
জাতীয় শহীদ সেনা দিবসে বনানী সামরিক কবরস্থানে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিজিবি মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মোহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী।
আজ ২৫ ফেব্রুয়ারি ‘জাতীয় শহীদ সেনা দিবস’। পিলখানায় বিডিআর সদরদফতরে হত্যাযজ্ঞের ১৬ বছর। বিডিআর বিদ্রোহ বা পিলখানা হত্যাকাণ্ড ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকার পিলখানায় তৎকালীন বিডিআরদের একটি গ্রুপ দ্বারা সংগঠিত বিদ্রোহ এবং হত্যাকাণ্ড।
শোকাবহ ২৫ ফেব্রুয়ারি জাতীয় শহীদ সেনা দিবস আজ। ২০০৯ সালের ২৫ ও ২৬ ফেব্রুয়ারি বিডিআরের (বর্তমানে বিজিবি) ঢাকার পিলখানা সদর দপ্তরে বিদ্রোহের নামে তৎকালীন বিডিআর মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদসহ ৫৭ জন সেনা কর্মকর্তা ও ১৭ বেসামরিক নাগরিকসহ মোট ৭৪ নিহত হন।
দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা করার জন্য সেনা সদস্যদের বল প্রয়োগের প্রয়োজন পড়লেও পেশাদারিত্ব বজায় রাখার আহ্বান জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। তিনি বলেছেন, দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বল প্রয়োগ করা যাবে না। তবে, করার মতো পরিস্থিতি হলেও তা অত্যন্ত সতর্কতার সঙ্গে করতে হবে এবং সম্ভব হলে তা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করতে হবে। যত কম বল প্রয়োগ করা যায় ততই ভালো।
ঢাকা সেনানিবাসের কুর্মিটোলা গলফ ক্লাবে ৮ম রানার প্রেসিডেন্ট কাপ গলফ টুর্নামেন্ট-২০২৫' এর সমাপনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সন্ত্রাসবাদের হুমকি নিশ্চিহ্ন করতে পাকিস্তানে দেশটির সেনাবাহিনীর ব্যাপক অভিযানে কমপক্ষে ৩০ জঙ্গি নিহত হয়েছে। গোয়েন্দা তথ্যের ওপর ভিত্তি করে আফগানিস্তানের সীমান্ত-সংলগ্ন গোলযোগপূর্ণ অঞ্চলে সামরিক বাহিনী এই অভিযান চালায়।
গ্রেফতার এড়াতে গাজায় গণহত্যায় অংশ নেওয়া ইসরায়েলের সামরিক বাহিনীর দুই সেনাসদস্য নেদারল্যান্ডস ছেড়ে পালিয়ে গেছেন।