প্রশাসনের ফিটনেস ও নিরপেক্ষতা প্রমাণে সব না হোক, স্থানীয় সরকারের অন্তত সিটি করপোরেশন, উপজেলা বা পৌরসভার নির্বাচন জাতীয় নির্বাচনের আগে হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি এবং ডাকসুর সাবেক ভিপি নুরুল হক নুর।
স্থানীয় সরকার নির্বাচন
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান বলেছেন- জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন দিতে হবে।
জামায়াতে ইসলামী জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন চায় বলে জানিয়েছেন দলটির নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেন, ডিসেম্বরের মধ্যে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন হতে পারে, তার পরই জাতীয় নির্বাচন।
জাতীয় ও স্থানীয় সরকার নির্বাচন একসঙ্গে আয়োজন করা সম্ভব নয় বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) ব্রিগেডিয়ার (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ।
গত ৭ জানুয়ারি দ্বাদশ সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার পর রেশ কাটতে না কাটতেই স্থানীয় সরকারের সিটি করপোরেশন, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদের সাধারণ ও বিভিন্ন শূন্যপদে উপ-নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।
দেশের ৭৮টি স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। এর মধ্যে সাধারণ নির্বাচন বা সব পদে নির্বাচন হচ্ছে ৩৯টিতে। ৭৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে সাতটি পৌরসভাও রয়েছে।
আওয়ামী লীগের স্থানীয় সরকার মনোনয়ন বোর্ডের সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। বুধবার (১৫ ফেব্রুয়ারি) গণভবনে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।
ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন
সোভিয়েত প্রেসিডেন্ট জোসেফ স্টালিন বলেছিলেন, ‘দেশের জনগণের জন্য এটা জানাটাই যথেষ্ট যে দেশে একটি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে।