চলতি বছরের হজ নিবন্ধনের সময়সীমা শেষ হতে যাচ্ছে আজ (১২ অক্টোবর) রোববার। তবে আশানুরূপ সাড়া না পাওয়ায় কোটার একটি বড় অংশ খালি থেকে যাওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
হজ নিবন্ধন
ধর্ম মন্ত্রণালয় হজে গমনেচ্ছুদের জন্য সুখবর দিয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় মন্ত্রণালয়ের উপসচিব মামুন আল মারুফ স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, সরকারি ও বেসরকারি উভয় মাধ্যমের হজযাত্রীদের নিবন্ধনের সময় আরও সাত দিন বাড়ানো হয়েছে। ফলে নিবন্ধন চলবে আগামী ১৯ ডিসেম্বর থেকে ২৬ ডিসেম্বর ২০২৪ পর্যন্ত।
চলতি বছর হজের খরচ ১ লাখ টাকার বেশি কমানো সত্ত্বেও ধর্ম মন্ত্রণালয় নির্ধারিত কোটা পূরণ করতে পারেনি।
পবিত্র হজ নিবন্ধনের সময় আরো ১৫ দিন বাড়ানো হয়েছে। এতে ২০২৫ সালে হজে যেতে ইচ্ছুকরা আগামী ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত নিবন্ধন করতে পারবেন।
চার দফা সময় বাড়ানোর পর শেষ হয়েছে এ বছরের হজ নিবন্ধন। মঙ্গলবার রাত ১১টা পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারিভাবে নিবন্ধন করেছেন ৮৩ হাজার ১৫৫ হজযাত্রী।
তিন দফা সময় বাড়ানোর পর আরেক দফায় শেষবারের মতো বাড়ানো হয়েছে হজ নিবন্ধনের সময়। হজ গমনেচ্ছুরা আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রাক নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন।
হজ নিবন্ধনের সময় শেষ হচ্ছে আগামীকাল বৃহস্পতিবার। এ সময়ের মধ্যে নিবন্ধনকারীর সংখ্যা সৌদি সরকারকে জানিয়ে বাংলাদেশের বাকি কোটা ফেরত দেওয়া হবে। তবে সৌদি আরবের দেওয়া কোটার অর্ধেকও পূরণ হয়নি এখনো।
চলতি মৌসুমে সরকারি-বেসরকারি হজ নিবন্ধনের সময় আরও ৮ দিন বৃদ্ধি হয়েছে। আজ ২৫ জানুয়ারি থেকে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত নিবন্ধনের সুযোগ পাবেন হজযাত্রীরা।
চলতি বছর হজে যেতে ইচ্ছুক কিন্তু এখনো চূড়ান্ত নিবন্ধন করেননি, তাদের জন্য বিশেষ দিন আজ। ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে এক দিনের জন্য হজ নিবন্ধনের সার্ভার খুলে দেয়া হবে। চলতি বছর এটিই শেষ সুযোগ বলে মন্ত্রণালয় জানিয়েছে।
অস্বাভাবিক হারে খরচ বেড়ে যাওয়ায় এবার শুরু থেকেই হজ নিবন্ধনে অনীহা দেখা যাচ্ছিল। আটবার সময় বাড়িয়েও পূরণ হয়নি নির্ধারিত কোটা। এর মধ্যে ৫৬১ জন হজের জন্য নিবন্ধন করেও তা বাতিল করেছেন।