শরীয়তপুরের ছয়টি উপজেলা ও একটি পৌরসভার ১ লাখ ৫৪ হাজার ৭৭৪ শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনার পদক্ষেপ নিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
হামের টিকা
হাম-রুবেলার সংক্রমণ প্রতিরোধে বরিশাল সিটি করপোরেশনে শুরু হয়েছে টিকাদান কার্যক্রম। সারাদেশের ন্যায় বরিশালেও দ্বিতীয় ধাপে শুরু হয়েছে এ টিকাদান কর্মসূচি।
আসন্ন ঈদুল আজহার আগে, অর্থাৎ আগামী ২১ মে-এর মধ্যে দেশের সব শিশুকে হামের টিকা দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে সরকার।
সারাদেশের ন্যায় চাঁদপুরে বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব। পরিস্থিতি মোকাবেলায় বিশেষ টিকাদান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। আজ রবিবার সকাল ৮টা থেকে চাঁদপুর সদর ও হাইমচর উপজেলায় একযোগে ৪৮৮টি কেন্দ্রে শিশুদের টিকা প্রদান করা হচ্ছে।
নওগাঁ জাতীয় হাম রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন করা হয়েছে। রবিবার সকাল ১০টায় জেলার পোরশা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আয়োজনে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চত্বরে এক আলোচনা সভা হয়। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে মুঠোফোনে এর বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মোস্তাফিজুর রহমান।
জেলার চিহ্নিত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা পৌরসভার বৃহত্তর পাহাড়তলী, রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন এবং মহেশখালী উপজেলার হোয়ানক ও বড় মহেশখালী ইউনিয়নে এ কর্মসূচী চালানো হবে।
আগামী রবিবার থেকে হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, আমরা আগামী রবিবার থেকে হামের টিকাদান কর্মসূচি শুরু করছি। ৬ মাস থেকে ১০ বছর বয়সের শিশুদের এই টিকা দেওয়া হবে।
দেশে হামের (মিজেলস) সংক্রমণ বৃদ্ধি পাওয়ায় দ্রুত প্রতিরোধ ও চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর জোর দিয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় সরকার সব ধরণের টিকা ক্রয়ে ৬০৪ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছে।