আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দল নিষিদ্ধের দাবিতে প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) এবং আইন মন্ত্রণালয়ে আইনি নোটিশ দিয়েছে গণঅভ্যুত্থানের পক্ষে থাকা অন্তত ৩৬টি দল ও সংগঠনের জোট জুলাই ঐক্য।
১৪ দল
ফ্যাসিবাদী দল আওয়ামী লীগের নেতৃত্বাধীন মহাজোটের শরিক জাতীয় পার্টিসহ ১৪ দলের রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ চেয়ে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছে।
দেশবিরোধী নৈরাজ্য, অস্থিরতা সৃষ্টির অভিযোগে জামায়াতে ইসলামী ও ছাত্রশিবিরের রাজনীতি নিষিদ্ধ করার পক্ষে আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন রাজনৈতিক জোট ১৪ দল।
গণভবনে ১৪ দলের নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।সোমবার (২৯ জুলাই) বিকেলে প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে বলে জানা গেছে।
আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলের শরিকরা এবার মাত্র দু’টি আসনে জিতেছেন। কয়েক দফা দেনদরবার করে শেষ পর্যন্ত ছয়টি আসনে সমঝোতা হয়। জাসদ তিনটি, ওয়ার্কার্স পার্টি দু’টি ও জাতীয় পার্টি (জেপি) একটি। এবার ছয়টি আসনে সবাই নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করেন। জয়ী হয়েছেন কেবল রাশেদ খান মেনন আর রেজাউল করিম তানসেন।
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের শরিক ১৪ দলের সাথে আসন ভাগাভাগি নিয়ে আলোচনায় বসতে যাচ্ছে দলটি। সংসদ ভবন এলাকার এমপি হোস্টেলে এই আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৪ দলের শরিক দলগুলোর আসন বণ্টন ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়েছে। বৈঠকটি দীর্ঘ হওয়ায় সোমবার (৪ ডিসেম্বর) রাত ১০টা পর্যন্ত কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। তবে আসন বণ্টন নিয়ে সিদ্ধান্তে আসতে আগামী দুই-একদিন অপেক্ষা করতে হবে শরিক দলগুলোকে।
বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এমপি বলেছেন, ১৪ দলীয় জোট এখনো আছে। আওয়ামী লীগ জোটগতভাবেই নির্বাচনে অংশ নেবে। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৭ ডিসেম্বরের মধ্যেই শরিকদের যথাযথ মূল্যায়ন করে ১৪ দলীয় জোটের ব্যাপারে কার্যকর সিদ্ধান্ত হবে।
বিএনপি-জামায়াতের ‘সন্ত্রাস, নাশকতা ও নৈরাজ্যের’ প্রতিবাদে রাজধানীতে আজ শান্তি সমাবেশ করবে কেন্দ্রীয় ১৪ দল।
জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে ১৪ দলের সঙ্গে সংলাপে বসেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। কমিশনের এ সংলাপ বর্জন করেছ বিএনপি ও সমমনা দলগুলো।