বেগম খালেদা জিয়ার জীবন, আদর্শ ও রাজনৈতিক সংগ্রাম থেকে শিক্ষা গ্রহণ করলেই বাংলাদেশে আবার গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠা সম্ভব বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও বীর মুক্তিযোদ্ধা আদুস সালাম।
অনুসরণ
মেকআপ করার শেষ পর্যায়ে গালের দুই পাশে একটু হাইলাইটার না দিলে যেন সাজই পূর্ণ হয় না। তবে এই হাইলাইটার সাময়িক জেল্লা দেয়। মেকআপ তুললেই এই ঝকঝকে ভাব ফিকে হয়ে যায়। তার চেয়ে বরং ত্বককে ভেতর থেকে উজ্জ্বল করার চেষ্টা করা যেতে পারে।
জাতিসংঘের নির্যাতনবিরোধী কমিটি জানিয়েছে, ইসরায়েল ফিলিস্তিনিদের বিরুদ্ধে সংগঠিত ও ব্যাপক নির্যাতনের ক্ষেত্রে ‘কার্যত রাষ্ট্রীয় নীতি’ অনুসরণ করছে, এমন প্রমাণ তাদের কাছে রয়েছে।
ইসলাম শান্তির ধর্ম। এর মূল শিক্ষা সহনশীলতা, মানবতা ও ন্যায়বিচার। নবী মুহাম্মদ (সা.) ছিলেন এ শান্তি ও মানবতার শ্রেষ্ঠ নমুনা। তিনি তাঁর উত্তম চরিত্র, ধৈর্য ও উদারতা দিয়ে তৎকালীন আরবের বর্বর সমাজকে রূপান্তরিত করেছিলেন একটি ন্যায়ভিত্তিক সমাজব্যবস্থায়।
মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন এবং ইহকাল ও পরকালীন কল্যাণ নিশ্চিতে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রতিটি কথা, কর্ম ও জীবনাদর্শ সব মুসলমানের জন্য অবশ্য অনুসরণীয় বলে উল্লেখ করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন।
মানুষের স্বভাব প্রকৃতিগতভাবেই দু’ ধরনের। কেউ সাহসী কেউ ভীতু। কেউ বেশি বোঝেন, কেউ কম বোঝেন। আমাদের চিরশত্রু শয়তান তাই প্রথমেই আমাদের মানসিক প্রকৃতির খোঁজ নিয়ে সেভাবেই আমাদেরকে ধোঁকা দিতে চায়।
সাহাবি বলা হয় ঐ ব্যক্তিকে, যিনি ঈমানের সাথে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দেখেছেন এবং ইসলামের ওপর মারা গেছেন।
আম্মাজান হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, রসুলুল্লাহ (সা.)-এর চরিত্র হুবহু ‘কোরআনুল কারিম’ অর্থাৎ যেমনটি কোরআনুল কারিম একটি কিতাব, তদ্রুপ প্রিয় নবী (সা.) ছিলেন বাস্তব জীবন্ত কিতাব।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ অনুসরণ করে আমরা বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় কাজ করে যাচ্ছি। শান্তিরক্ষা মিশন ছাড়াও অন্যান্য আন্তর্জাতিক ফোরামগুলোতেও আমরা সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ ও অবদান রাখছি। ১৯৯৭ সালে আমরা জাতিসংঘে কালচার অব পিস অর্থাৎ শান্তির সংস্কৃতি এই প্রস্তাব আমি উত্থাপন করি; যা ১৯৯৯ সালে সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। পরবর্তীতে জাতিসংঘ ২০০০ সালকে ইন্টারন্যাশনাল ইয়ার অব কালচার অব পিস হিসেবে ঘোষণা করে।
আম্মাজান হজরত আয়েশা (রা.) বলেন, রসুলুল্লাহ (সা.)-এর চরিত্র হুবহু ‘কোরআনুল কারিম’ অর্থাৎ যেমনটি কোরআনুল কারিম একটি কিতাব, তদ্রুপ প্রিয় নবী (সা.) ছিলেন বাস্তব জীবন্ত কিতাব।