জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন বিল-২০২৬ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।
অভ্যুত্থান
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে অংশগ্রহণকারীদের সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান (সুরক্ষা ও দায় নির্ধারণ) আইন, ২০২৬’ বিল পাস হয়েছে।
জাতীয় সংসদের বিরোধী দলীয় নেতা ডা. মো. শফিকুর রহমান বলেছেন, দেশের কাঙ্ক্ষিত সংস্কার বাস্তবায়নে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের চেতনাকে প্রাধান্য দিয়ে সামনের দিকে এগোতে হবে। একই সঙ্গে তিনি সংসদে পারস্পরিক চরিত্রহননের রাজনীতি পরিহারের আহ্বান জানান।
মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেছেন, মহান মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমাদের বাংলাদেশ হয়েছে। মুক্তিযোদ্ধা মন্ত্রাণালয় মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কাজ করে।
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধী দলের চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম বলেছেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানই বর্তমান সরকারের বৈধতার ভিত্তি।
সাধারণ নির্বাচনের পর ভোট গণনা চলছে নেপালে। প্রাথমিক গণনায় ব্যাপকভাবে এগিয়ে রয়েছে তরুণ প্রজন্মের (জেন-জি) পছন্দের ও চলতি ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে গণ-অভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া দল রাষ্ট্রীয় স্বতন্ত্র পার্টি (আরএসপি)।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হতাহতদের তালিকা পুনর্মূল্যায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন।
জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, নির্বাচন পরবর্তী যে সহিংসতা শুরু হয়েছে, তা অবিলম্বে বন্ধ না হলে আরেকটি অভ্যুত্থানের সাক্ষী হতে পারে বাংলাদেশ।
জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত হতে যাচ্ছে উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক এবং ত্রাণ ও পুনর্বাসন উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম বীর প্রতীক বলেছেন,
২৪-এর গণঅভ্যুত্থানের পর দেশের রাজনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে গঠিত হয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই অর্থনীতি স্থিতিশীল রাখা