ইখলাস

সুরা ইখলাস: তাওহিদের আলোকবর্তিকা ও জান্নাতের সওগাত

সুরা ইখলাস: তাওহিদের আলোকবর্তিকা ও জান্নাতের সওগাত

মুসলমানের জীবনে সর্বাধিক পঠিত ও মহিমান্বিত সুরাগুলোর একটি হলো সুরা ইখলাস। পবিত্র কোরআনের এই সংক্ষিপ্ত কিন্তু গভীর অর্থবহ সুরাটি (সুরা নং ১১২) আল্লাহর একত্ববাদের সর্বোচ্চ ঘোষণা।

ইখলাসের সঙ্গে আমল করুন

ইখলাসের সঙ্গে আমল করুন

‘ইখলাস’ একটি আরবি শব্দ। যার আভিধানিক অর্থ হলো- সততা, আন্তরিকতা, বিশুদ্ধতা, বিশ্বস্ততা। ইসলামী পরিভাষায় একমাত্র আল্লাহ রব্বুল আলামিনের সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য কোনো কাজ করাকে ইখলাস বা সহিহ নিয়ত বলে। 

সুরা ইখলাস পাঠের বিশেষ ফজিলত

সুরা ইখলাস পাঠের বিশেষ ফজিলত

সুরা ইখলাস কোরআনের ১১২তম সুরা, আয়াত সংখ্যা ৪টি, রুকু ১টি। মক্কার মুশরিক বা মদিনার ইহুদিরা নবিজিকে (সা.) প্রশ্ন করেছিল, আল্লাহর বংশ-পরিচয় কী? তাদের প্রশ্নের জবাবে এ সুরা অবতীর্ণ হয়।

সুরা ইখলাস পাঠের সাত পুরস্কার

সুরা ইখলাস পাঠের সাত পুরস্কার

পবিত্র কোরআনের ১১২ নম্বর সুরা ইখলাস। এটি ইসলামের প্রাথমিক সময়ে অবতীর্ণ হয়েছে। এই সুরার মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে, শিরক থেকে মুক্ত হয়ে তাওহিদ তথা একত্ববাদে বিশ্বাসী হওয়া। 

সূরা ইখলাসের আলোকে আল্লাহর পরিচয়

সূরা ইখলাসের আলোকে আল্লাহর পরিচয়

পৃথিবীতে বিদ্যমান সব ধর্ম ও মতবাদের মধ্যে একমাত্র ইসলামেই ‘সৃষ্টিকর্তার’ সহজ ও যুক্তিযুক্ত সংজ্ঞা প্রদান করা হয়েছে। আমরা ইসলামের অনুসারীরাই কোনো মাধ্যম ছাড়া, কোনো ধরনের তদবির ছাড়া যেকোনো সময় যেকোনো প্রয়োজনে সরাসরি আমাদের ‘সৃষ্টিকর্তার’ কাছে আমাদের চাওয়া-পাওয়াগুলো পেশ করতে পারি।

‘ইখলাস’ ইবাদত কবুলের প্রধান শর্ত

‘ইখলাস’ ইবাদত কবুলের প্রধান শর্ত

আল্লাহ তায়ালা মানুষ এবং জীনকে একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করার জন্য সৃষ্টি করেছেন। ইবাদত বলতে আমরা অনেকেই মনে করি শুধু নামাজ, রোজা, হজ ও জাকাত এগুলোই ইবাদত। এ ছাড়া আমাদের জীবনের অন্যান্য বিষয় ইবাদত না।