প্রিয় নবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) প্রায় সময় সাহাবায়ে কেরামকে নসিহত করতেন। মূল্যবান উপদেশ দান করতেন। এসব উপদেশ প্রত্যেক মানুষের জীবনের জন্য খুবই জরুরি। যে প্রিয় নবী (সা.)-এর এসব উপদেশ ও নসিহত মনে রাখবে, তা তার জন্য জীবনপথের পাথেয় হয়ে থাকবে। হজরত আমর ইবনে মায়মুন (রা.) থেকে বর্ণিত।
- ইন্দোনেশিয়ায় সরকারি খাবার খেয়ে ৫০০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে
- * * * *
- তুরস্কে এক জাহাজের সঙ্গে আরেক জাহাজের ধাক্কা, নিখোঁজ একটি
- * * * *
- যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় ইরানের প্যারামিলিটারির তিন সদস্য নিহত
- * * * *
- স্বস্তিকাকে নিয়ে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী ঐন্দ্রিলা বোস
- * * * *
- ইতালির ভেনিস আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে যাচ্ছেন সুনেরাহ
- * * * *
উপদেশ
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বেশ সক্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া জাহান প্রভা। নিজের নানা অনুভূতি-অভিজ্ঞতা শেয়ার করেন অনুসারীদের সঙ্গে। কখনো কখনো দেন পরামর্শও।
ইসলামি জীবনদর্শনে ‘সাফল্য’ বা ‘মুক্তি’ একটি বিস্তৃত ধারণা। এটি কেবল ব্যক্তিগত ইবাদত বা কিছু নির্দিষ্ট নেক আমলের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং ব্যক্তি, সমাজ ও উম্মাহর সম্মিলিত কল্যাণ ও আত্মিক উন্নয়ন এর অন্তর্ভুক্ত।
জীবনের অন্তিম মুহূর্তের উপদেশগুলোর বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে ইসলামে। মহানবী (স.) তাঁর জীবনের শেষ পর্যায়ে উম্মাহর জন্য যে অমূল্য অসিয়ত রেখে গেছেন, তা যুগ যুগ ধরে মুসলিম উম্মাহর জন্য পথনির্দেশিকা হিসেবে কাজ করছে। এখানে নবীজির ১৪টি মহামূল্যবান উপদেশ তুলে ধরা হলো।
পবিত্র কোরআনের ১৭তম সূরা, সূরা বনী ইসরাঈল। সূরাটি মক্কায় অবতীর্ণ। এর আয়াত সংখ্যা ১১১টি।
নবুয়তের একেবারে গোড়ার দিকের কথা। হেরা গুহায় জিবরাইল (আ.) রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর কাছে ওহি নিয়ে এসেছেন কয়েক মাস আগে।
মানুষের জীবনে তারুণ্য সবচেয়ে দামী ও গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তারুণ্যের সময়টি নিয়ে বিভিন্ন মত থাকলেও সাধারণত ১৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সীদের তরুণ বিবেচনা করা হয়। কোরআন ও হাদিসে তরুণদের ব্যাপারে অনেক বর্ণনা রয়েছে।
মহানবি (সা.) তার উম্মতকে সবসময় এমন উপদেশ দিতেন, যা তাদের ইহকাল ও পরকালের জন্য কল্যাণকর।
মুহাম্মাদ হেদায়াতুল্লাহ: সর্বদা আল্লাহর ওপর ভরসা করো: আবদুল্লাহ বিন আব্বাস (রা.) বর্ণনা করেছেন, একদিন তিনি বাহনে রাসুল (সা.)-এর পেছনে ছিলেন।
মহান আল্লাহ ব্যবসাকে হালাল করেছেন, আর সুদকে করেছেন হারাম। সৎ ও বিশ্বস্ত ব্যবসায়ীদের জন্য রেখেছেন দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা। নবুয়তপ্রাপ্তির আগে প্রিয় নবী মুহাম্মদ (সা.)-ও ছিলেন একজন সৎ ও সফল ব্যবসায়ী।