আধুনিক জীবনের ব্যস্ততা ও মানসিক চাপ কেবল আমাদের মানসিক শান্তিই কেড়ে নিচ্ছে না, গোপনে বাড়িয়ে দিচ্ছে হৃদরোগের ঝুঁকিও। অনিয়ন্ত্রিত মানসিক চাপ এবং অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস—এই দুটি কারণই মানবদেহে টোটাল কোলেস্টেরল এবং খারাপ কোলেস্টেরল (এলডিএল) বৃদ্ধির প্রধান উৎস হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।
কোলেস্টেরল
যেকোনো ধরনের মিষ্টান্ন যেমন পায়েস-ফিরনিতে খোসা ছাড়ানো কয়েক টুকরো পেস্তা দিলেই খাবারের কদর বেড়ে যায়।
রান্নায় স্বাদ, রং ও সুগন্ধ বাড়াতে মসলার ব্যবহার বহু পুরোনো। তবে শুধু খাবারের স্বাদই নয়, কিছু মসলা হৃদযন্ত্রের সুস্থতা বজায় রাখা।
ওজন কম বা রোগা হলেও রক্তে উচ্চ কোলেস্টেরল থাকতে পারে। এটি শুধু শরীরের ওজনের ওপর নির্ভর করে না; বরং লিভারের কার্যকারিতা, জিনগত বৈশিষ্ট্য এবং জীবনযাত্রার ওপর বেশি নির্ভরশীল। শরীরে প্রায় ৭০–৮০ শতাংশ কোলেস্টেরল লিভার নিজেই তৈরি করে, যা খাদ্যাভ্যাস বা ওজনের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত নয়।
বর্তমানে কোলেস্টেরলের সমস্যা ঘরে ঘরে। অসংখ্য মানুষের মধ্যে এই সমস্যা দেখা যাচ্ছে। কোলেস্টেরলের সমস্যা হলে মূলত রক্ত গাঢ় হয়ে যায়। এই সমস্যার সমাধান করতে কেবল ওষুধের ওপর ভরসা না করে কিছু ঘরোয়া উপাদান ব্যবহার করতে পারেন। এক চিমটি মেথি এক্ষেত্রে হতে পারে আপনার বন্ধু।
যেকোন ধরনের মিষ্টান্ন যেমন পায়েস-ফিরনিতে খোসা ছাড়ানো কয়েক টুকরো পেস্তা দিলেই খাবারের কদর বেড়ে যায়।
কোলেস্টেরল— শব্দটির সঙ্গে কম-বেশি সবাই পরিচিত। কিছুক্ষেত্রে এটি শরীরের জন্য ক্ষতিকর আবার কিছুক্ষেত্রে উপকারিও। আসলে কোলেস্টেরল ভালো হয় আবার খারাপও হয়। ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে, ভিটামিন ডি তৈরিতে সাহায্য করে।
কাঁচাহলুদের ব্যবহার রান্নার স্বাদ বৃদ্ধি থেকে স্বাস্থ্যরক্ষা পর্যন্ত— সব জায়গায় ব্যবহৃত হয়। ভাজাপোড়া হোক কিংবা কষিয়ে রান্না— হলুদ থাকবেই।
কোলেস্টেরল নিয়ে আপনার হয়তো কোনো মাথা ব্যথা নেই। এমনকি ডায়াবেটিস কিংবা হার্টের অসুখ থাকা সত্ত্বেও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে আপনি কোনো ওষুধ খাচ্ছেন না।
বর্তমানে উচ্চ কোলেস্টেরলের সমস্যা খুব সাধারণ হয়ে উঠেছে। এর জন্য দায়ী ভুল খাদ্যাভ্যাস আর অনিয়ন্ত্রিত জীবনযাপন। কোলেস্টেরল হলো আমাদের শরীরে থাকা মোমের মতো আঠালো একটি পদার্থ।