রোজায় বেশিরভাগ রোজাদারের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা দেখা দেয়। এর সবচেয়ে বড় কারণ হলো খাদ্যাভ্যাস। রোজায় আমরা এমন অনেক খাবার খাই যা মুখরোচক হলেও স্বাস্থ্যকর নয়।
গ্যাস্ট্রিক
গ্যাস্ট্রিক বা অম্লতার সমস্যায় ভোগেন না, এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া কঠিন। অনেকেই ওষুধ খেয়ে অস্থায়ীভাবে মুক্তি পান, কিন্তু জীবনধারায় পরিবর্তন না আনলে সমস্যা বারবার ফিরে আসে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, গ্যাস্ট্রিকের স্থায়ী সমাধান লুকিয়ে আছে আমাদের প্রতিদিনের খাবারে।
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন না এমন মানুষ বর্তমানে কমই আছেন। একটু ভাজাপোড়া বা মশলাদার খাবার খেলেই শুরু হয় বুক জ্বালা-পোড়া, পেটে অস্বস্তি। কখনো কখনো তার সঙ্গে যোগ দেয় পেট ব্যথা, বুকে ব্যথার মতো সমস্যা।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পরে অনেকের গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা শুরু হয়। কী করলে বা কী খেলে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব তা অনেকেই জানেন না।
গ্যাস্ট্রিকে কষ্ট পান না এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া দুষ্কর। জীবনযাপনে অসচেতনতা দিন দিন এই সমস্যার পালে হাওয়া দিয়ে যাচ্ছে। সমস্যা থেকে রেহাই পেতে অনেকেই আশ্রয় নেন মুঠো মুঠো ওষুধের।
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যায় ভুগছেন এমন অনেকেই হয়তো নিয়মিত ওষুধ সেবন করেন। তাঁদের হয়তো খাদ্যাভ্যাসের মাধ্যমে গ্যাস্ট্রিক নিয়ন্ত্রণ করতে কিছুটা সময় লাগতে পারে।
খাবারে অনিয়ম ও গরমে দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার কারণে কেউ কেউ রোজা রেখে অসুস্থ হয়ে পড়েন। বিশেষ করে বদহজম, কোষ্ঠকাঠিন্য, গ্যাস্ট্রিকের মতো সমস্যাগুলো দেখা দেয়।
গ্যাস্ট্রিকের সমস্যা নেই এমন লোক মেলা দায়। অনেকে সকালে ও রাতে খাবারের আগে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেয়ে থাকেন।