বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান প্রায় ৩ শতাংশ। সরকার এই অবদান ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করতে চায়।
বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম বলেছেন, বর্তমানে দেশের জিডিপিতে পর্যটন খাতের অবদান প্রায় ৩ শতাংশ। সরকার এই অবদান ৬ থেকে ৭ শতাংশে উন্নীত করতে চায়।
শিক্ষা খাতে বরাদ্দ ধীরে ধীরে বৃদ্ধি করে জিডিপির ৫ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহসানুল হক মিলন। তিনি বলেন, শিক্ষা ক্ষেত্রে স্থিতিশীলতা বজায় রাখা এবং মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
তিনি বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে দক্ষ ও যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলতে প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
বাংলাদেশের দেশজ উৎপাদনের প্রবৃদ্ধি (জিডিপি) নিয়ে পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী এ সংস্থাটি বলছে, চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশের জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ৬ শতাংশ হবে। তবে, পরের অর্থবছরে, অর্থাৎ ২০২৬-২৭ অর্থবছরে এই প্রবৃদ্ধি বেড়ে ৬ দশমিক ১ শতাংশ হতে পারে।
জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান আবদুর রহমান খান বলেছেন, বাংলাদেশের বর্তমান ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত মাত্র ৬ দশমিক ৬ শতাংশ থেকে ৭ দশমিক ৮ শতাংশ, যা অনেক আফ্রিকান উন্নয়নশীল দেশের তুলনায়ও কম। উগান্ডার ট্যাক্স-জিডিপি অনুপাত ১২ দশমিক ৫ শতাংশ।
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদন (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে কমে ৩ দশমিক ৯ শতাংশ হতে পারে। একই সঙ্গে বছর শেষে গড় মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৭ থেকে ১০ দশমিক ২ শতাংশ হবে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে এশিয়ান ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (এডিবি)।
বাংলাদেশে চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিডিপি প্রবৃদ্ধি ৪ দশমিক ১ শতাংশে নেমে আসবে বলে ধারণা করছে বিশ্বব্যাংক। গত জুন মাসে সংস্থাটি বলেছিল, এই অর্থবছরে প্রবৃদ্ধি হতে পারে ৫ দশমিক ৭ শতাংশ। এর আগে একই ধরনের তথ্য দিয়েছিল আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
গ্রোস ডমেস্টিক প্রডাক্ট (জিডিপি) বা মোট দেশজ উৎপাদনের আকারে রেকর্ড করেছে বাংলাদেশ। বর্তমানে বাংলাদেশের জিডিপির আকার দাঁড়িয়েছে ৫০ লাখ ৪৮ হাজার ২৭ কোটি টাকা।
বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধির পূর্বাভাস আরও কিছুটা কমিয়ে আনল আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ)।
অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ অর্থ বিভাগের মধ্যমেয়াদী সামষ্টিক অর্থনৈতিক নীতিবিবরণী (২০২৩-২৪ থেকে ২০২৫-২৬) অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের শেষ নাগাদ জিডিপির ১১ দশমিক ২ শতাংশ রাজস্ব আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।