জিলাপিকে মুখরোচক ও দীর্ঘসময় মুচমুচে রাখতে স্বাস্থ্যের জন্য ভয়ানক ক্ষতিকর রাসায়নিক হাইড্রোজ ব্যবহার করছেন বগুড়ার কিছু অসাধু ব্যবসায়ী। অভিযোগ উঠেছে, ক্ষতিকর এই জিলাপি অহরহ বিক্রি হচ্ছে শহরের ফতেহ আলী বাজারের সামনে, ২ নম্বর রেলঘুনটি ও বৌবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে।
জিলাপি
গরম গরম জিলাপি—সকালের নাশতা, বিকেলের আড্ডা কিংবা ঈদ-পূজা থেকে শুরু করে বিয়ের অনুষ্ঠান—বাংলাদেশে এই মিষ্টির জনপ্রিয়তা বহু দিনের। মুচমুচে বাইরের স্তর আর রসে ভেজা ভেতরের স্বাদ ছোট-বড় সবার কাছেই প্রিয়।
রমজানে ইফতারের টেবিলে গরম গরম জিলাপি দেখলে অনেকেরই মন লোভে ভরে ওঠে।
রাজশাহী নগরীর ঐতিহ্যবাহী খাবারের তালিকায় বাটার মোড়ের জিলাপির নাম বহু আগে থেকেই শীর্ষে। বিশেষ করে রমজান মাস এলে ইফতারিতে এই জিলাপির চাহিদা কয়েক গুণ বেড়ে যায়। ৬৫ বছর ধরেই এই বাটার মোড়ের জিলাপির কদর রয়েই গেছে। প্রতিদিন দুপুর গড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে দোকানের সামনে ভিড় জমাতে শুরু করে নানা বয়সের ক্রেতারা।
ইফতারিতে একটি জনপ্রিয় আইটেম হচ্ছে জিলাপি। বিশেষ করে রেশমি জিপালি সবাই খেতে পছন্দ করেন।
ইফতারে জিলাপি না হলে অনেকেরই চলে না। বিভিন্ন স্বাদের জিলাপির মধ্যে ছানার জিলাপি অন্যতম। এর নাম শুনলেই জিভে জল চলে আসে।
ময়মনসিংহের ফুলপুরে জিলাপি কিনতে গিয়ে তানিয়া (২) নামে এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় তার বড়বোন আরিফাও (৭) গুরুতর আহত অবস্থায় ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছে।
গেল সপ্তাহে রাজধানীর পাঁচ তারকা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল, ঢাকা এক ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সোনায় মোড়ানো জিলাপি বিক্রির বিজ্ঞপ্তি দিয়েছিল।তাতে বলা হয়, প্রতি কেজি জিলাপির দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা। ওই পোস্ট দেওয়ার এক সপ্তাহ পর আরেক পোস্টে জানানো হয়েছে, হোটেল কর্তৃপক্ষ আর অর্ডার নিচ্ছে না।
বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার ইন্টারকন্টিনেন্টাল হোটেল তৈরি করেছে এই স্বর্ণের জিলাপি। দাম প্রতি কেজি ২০ হাজার টাকা!
যারা মিষ্টি খেতে পছন্দ করেন তাদের কাছে অন্যতম পছন্দের খাবার হলো জিলাপি। সাধারণত জিলাপি হিসেবে যে খাবারকে আমরা জানি, তার বাইরেও আছে আরও নানা স্বাদের জিলাপি।