পানিশূন্যতা

পানিশূন্যতা: কারণ ও প্রতিকার

পানিশূন্যতা: কারণ ও প্রতিকার

ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা হলো শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণে পানির অভাব। এটি মোকাবেলার সবচেয়ে ভালো উপায় হলো তৃষ্ণা পাওয়ার আগেই পানি পান করা। যদি আপনার তৃষ্ণা পায়, তার মানে আপনার শরীরে ইতিমধ্যেই হালকা পানিশূন্যতা হয়েছে, এবং এর ফলে মাথাব্যথা, ক্লান্তি, মাথা ঘোরা ইত্যাদির মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।

রোজায় পানিশূন্যতার ভয়? যেভাবে সুস্থ থাকবেন

রোজায় পানিশূন্যতার ভয়? যেভাবে সুস্থ থাকবেন

রোজায় হাইড্রেটেড থাকা একটি বড় চ্যালেঞ্জ। রমজান মাসে বেশিরভাগ রোজাদারের ক্ষেত্রেই পানিশূন্যতার মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। কারণ সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনো ধরনের খাবার বা পানি গ্রহণ না করার ফলে স্বাভাবিকভাবেই শরীরে কিছুটা পানির ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

গরমে পানিশূন্যতা পূরণ করে এই পানীয়

গরমে পানিশূন্যতা পূরণ করে এই পানীয়

গরম বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিচ্ছে। ফলে হিটস্ট্রোকের মতো নানা রোগ কাবু করছে। এই সমস্যার সমাধানে রোজ নিয়ম করে খেতে হবে বিভিন্ন ধরনের পানীয়।

শরীরে পানিশূন্যতা হলে যেসব লক্ষণ দেখা দেয়

শরীরে পানিশূন্যতা হলে যেসব লক্ষণ দেখা দেয়

প্রায়ই এমন হয় যে সারাদিনে কাজের চাপে পানি খাওয়া কম হয়। পানির মাধ্যমেই বেশির ভাগ শারীরবৃত্তীয় কাজ সম্পন্ন হয়। শরীরে প্রতিদিন পানির যে চাহিদা তা পূরণ না হলে হাজারো শারীরিক সমস্যা শুরু হয়ে যায়। 

পানিশূন্যতা রোধ

পানিশূন্যতা রোধ

রোজা রাখলে দীর্ঘ সময় পানাহার থেকে বিরত থাকতে হয়। চৈত্র মাসের এই গরমে এতে পানিশূন্যতা হতে পারে। সে জন্য চাই সাবধানতা। আর এ থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মেনে চলতে হয় কিছু নিয়ম।

শরীরে পানিশূন্যতা দূর করার উপায়

শরীরে পানিশূন্যতা দূর করার উপায়

নানা কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দেয়। এর অন্যতম কারণ প্রখর সূর্যালোকে কাজ করা। পরিশ্রমের কাজ করলেও পানিশূন্যতা দেখা দেয় শরীরে। তাই রোদের সময় বাইরে বেশি প্রয়োজন ছাড়া বের হবেন না।