টানা অতিবৃষ্টি, পাহাড়ি ঢল ও ভূমিধসে বান্দরবানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির তথ্য প্রকাশ করেছে জেলা প্রশাসন। জেলার প্রায় ৭০ শতাংশ এলাকা জলাবদ্ধ হয়ে পড়েছে। এতে
বান্দরবান
বান্দরবানে রবিবার ও সোমবার বৃষ্টিপাত না হওয়ায় জেলার নিম্নাঞ্চল ও সড়ক থেকে বন্যার পানি নেমে গেছে। সরেজমিন ঘুরে
টানা অতি ভারী বৃষ্টিতে শনিবার বান্দরবানে বড় ধরণের কোন পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটেনি। তবে শনিবার সকাল ৯টার দিকে জেলা সদরের প্রধান
টানা ভারী বর্ষণ, পাহাড়ধস ও বন্যা পরিস্থিতির কারণে বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ রাখার মেয়াদ আবারও বাড়িয়েছে জেলা প্রশাসন। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১৫ জুলাই পর্যন্ত জেলার সব পর্যটনকেন্দ্র পর্যটকদের জন্য বন্ধ থাকবে।
টানা প্রবল বর্ষণে পাহাড়ধসের আশঙ্কা থাকায় বান্দরবান ভ্রমণে নিষেধাজ্ঞা ১৫ জুলাই পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
টানা ভারী বর্ষণের কারণে সৃষ্ট জলাবদ্ধতা, পাহাড়ধস ও আকস্মিক বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় বান্দরবান জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সব কর্মকর্তা-কর্মচারীর সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল করা হয়েছে।
টানা ভারী বর্ষণের মধ্যে বান্দরবানের লামা উপজেলায় আলাদা পাহাড়ধসের ঘটনায় পাঁচজন নিহত হয়েছেন।
বান্দরবানে টানা ভারি বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে দেখা দিয়েছে বন্যা। সাঙ্গু ও মাতামুহুরি নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় প্লাবিত হয়েছে নিম্নাঞ্চল।
ভারী বর্ষণের কারণে আগামী ১০ জুলাই পর্যন্ত বান্দরবানের সব পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ ঘোষণা করেছে জেলা প্রশাসন।
ভারি বৃষ্টিতে ভূমিধসে কেরানীহাট-বান্দরবান সড়কে ৩৩ কেভি বিদ্যুতের খুঁটি পড়ে যাওয়ায় বান্দরবানে বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রয়েছে বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ। সোমবার রাতে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের ভেরিফায়েড পেজে প্রকাশিত জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বিদ্যুৎ বিভাগ।