আপাতত ভোজ্যতেলের দাম বাড়ানো হচ্ছে না বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির
ভোজ্যতেল
এক কোটি ৮০ লাখ লিটার ভোজ্যতেল কেনার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এর মধ্যে স্থানীয় দরপত্রের মাধ্যমে ৮০ লাখ লিটার পরিশোধিত রাইস ব্র্যান তেল, অন্য একটি দরপত্রের মাধ্যমে এক কোটি লিটার পরিশোধিত রাইস
আসন্ন রমজান মাসকে সামনে রেখে ট্রেডিং কর্পোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) জন্য আন্তর্জাতিক বাজার থেকে ৩ কোটি ৭৫ লাখ লিটার এবং স্থানীয়ভাবে ১ কোটি লিটার ভোজ্যতেল কেনার অনুমোদন দিয়েছে সরকার। সেই সঙ্গে ১০ হাজার টন মসুর ডাল কেনা হবে।
ব্যবসায়ীরা ভোজ্যতেলের দাম হুট করে লিটার প্রতি ৯ টাকা বাড়ানোর যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন, তার আইনগত ভিত্তি নেই এবং এ ব্যাপারে সরকারের কোনও সম্মতিও নেই বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।
বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন বলেছেন, ভোক্তার স্বার্থে কাজ করা আমাদের মূল উদ্দেশ্য। ব্যবসা বাণিজ্য সংকীর্ণ করা আমাদের উদ্দেশ্য নয়।
সরকার ভোজ্যতেলের দাম বাড়ায়নি বলে জানিয়েছেন বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন। মঙ্গলবার (১৪ অক্টোবর) রাজধানীর পূর্বাচলে এক অনুষ্ঠানে সয়াবিন ও পাম তেলের দাম বৃদ্ধির বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
দেশের বাজারে বাড়ানো হয়েছে ভোজ্যতেলের দাম। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেলের দাম ৬ টাকা বাড়িয়ে ১৯৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা এতদিন বিক্রি হতো ১৮৯ টাকায়।
ব্যবসায়ীদের প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে সয়াবিন ও পাম তেলের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। তবে কত বাড়ানো হবে, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।
দেশে আবারও সয়াবিন ও পাম তেলের দাম বাড়াতে চাইছে বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। আন্তর্জাতিক বাজারে দাম বৃদ্ধির কারণ দেখিয়ে দেশে ভোজ্যতেল পরিশধনকারী ও বিপণনকারীরা প্রতি লিটারে ১০ টাকা বৃদ্ধির প্রস্তাব দিয়েছে।
সয়াবিন, সানফ্লাওয়ার, পাম ও ভুট্টার তেল আমদানিতে এক শতাংশ উৎস কর বসাল অন্তর্বর্তী সরকার। এতদিন এ ক্ষেত্রে কোনো উৎস কর ছিল না।