আধুনিক বিশ্বে যখন নেতৃত্ব ও ক্ষমতা নিয়ে চতুর্দিকে অস্থিরতা বিদ্যমান, তখন শান্তিময় সমাজ গঠনে বিশ্বনবী হযরত মুহাম্মদ (সা.)-এর প্রদর্শিত নেতৃত্ব নির্বাচন পদ্ধতি এক অনুকরণীয় আদর্শ। দেড় হাজার বছর আগে তিনি মদিনা রাষ্ট্রে এমন এক ব্যবস্থা প্রবর্তন করেছিলেন, যেখানে পদমর্যাদার চেয়ে যোগ্যতাকে এবং ব্যক্তিগত ইচ্ছার চেয়ে জনকল্যাণকে প্রাধান্য দেওয়া হতো।
- চীনের উত্তরাঞ্চলের একটি কয়লা খনিতে ভয়াবহ বিস্ফোরণ, নিহত ৮
- * * * *
- শিশু রামিসা হত্যার প্রতিবাদে লক্ষ্মীপুরে ছাত্রীসংস্থার মানববন্ধন
- * * * *
- আন্তর্জাতিক রোবট প্রতিযোগিতায় তুরস্কের পথে রুয়েটের ‘টিম অগ্রদূত’
- * * * *
- মাউন্ট এভারেস্ট জয় করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন দুই ভারতীয়
- * * * *
- রাবিপ্রবিতে শিক্ষাবৃত্তির ফলাফলে অনিয়মের অভিযোগ
- * * * *
রাসুল
মানুষের জীবন নিরবচ্ছিন্ন কোনো সুখের পথ নয়; বরং তা নিরন্তর এক সংগ্রামের নাম। জীবনের বাঁকে বাঁকে কখনো দেখা দেয় তীব্র অর্থনৈতিক সংকট, কখনো শরীর ভেঙে দেয় দীর্ঘস্থায়ী অসুস্থতা।
রাসুলুল্লাহ (সা.) কি সবসময় জুব্বা পরিধান করতেন—এ প্রশ্নের জবাব হলো, সবসময় রাসুলুল্লাহ (সা.) জুব্বা পরিধান করতেন না। বরং তিনি বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন পোশাক পরিধান করতেন।
মানুষের জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে সেসব সৎ গুণের বিকাশ ঘটে তার সবই মহানবী (সা.)-এর জীবনে বিদ্যমান ছিল। এটি শুধু বললে অবিচার হবে।
রাসুল (সা.) উম্মতের কল্যাণকামী ছিলেন। তাকে উম্মতের জন্য রহমত ও কল্যাণ হিসেবে প্রেরণ করেছেন আল্লাহ তায়ালা। পবিত্র কোরআনে বর্ণিত হয়েছে— আর আমি তো আপনাকে বিশ্ববাসীর জন্য রহমত হিসেবেই প্রেরণ করেছি। (সুরা আম্বিয়া, আয়াত : ১০৭)
রসুলুল্লাহ (সা.) সব সময় মহান আল্লাহর ইবাদতে কাটাতেন। তিনি সব কিছু মহান আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য করেছেন। তিনি ব্যবসাও করতেন আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য।
আরবে প্রেরিত নবী-রাসুলের সংখ্যা পাঁচজন। তাঁরা হলেন ইসমাইল (আ.), হুদ (আ.), সালিহ (আ.), শোয়াইব (আ.) ও মুহাম্মদ (সা.)।
রাসুলে আকরাম (সা.)-এর স্মৃতি ও সান্নিধ্যে ধন্য পবিত্র মদিনা নগরী। এই নগরীতেই শুয়ে আছেন মহানবী (সা.)। যদিও রওজা মোবারকের জিয়ারত হজের অংশ নয়, তবে তা যেকোনো মুসলমানের কাছে পরম প্রার্থিত বিষয়।
মহানবী (সা.) শিশুদের প্রতি অত্যন্ত স্নেহপরায়ণ ছিলেন। তিনি তাঁর পরিবার ও পরিবারের বাইরে সব শিশুকে স্নেহ করতেন।
ইসলামে শপথ শুধু আল্লাহর নামেই করতে হয়। আল্লাহ ছাড়া কারো নামে শপথ করা হারাম ও ছোট শিরক যা বড় গুনাহসমূহের অন্তর্ভুক্ত।