রাসুলুল্লাহ (স.) উম্মতকে এমন কিছু আমল শিখিয়েছেন, যার পুরস্কার অসীম। এখানে এমন দুই ব্যতিক্রম আমল তুলে ধরা হচ্ছে, যা অজস্র গুনাহ মাফ ও সীমাহীন সওয়াব ও বরকত লাভের কারণ।
- ব্রাজিল সাপোর্টাররা হতাশ, আর্জেটিনারা বিশ্বকাপের স্বপ্ন দেখছে: ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী
- * * * *
- বৃদ্ধা মাকে বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে
- * * * *
- ২০২৬ বিশ্বকাপ ফাইনালে মঞ্চ মাতাবেন যারা
- * * * *
- মেসিকে ‘লুজার’ বললেন বলিউড অভিনেত্রী গওহর খান
- * * * *
- ভিএআর বিতর্কে মুখ খুললেন ফিফা প্রধান ইনফান্তিনো
- * * * *
রাসুল
মক্কার মুশরিকদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে বহুসংখ্যক মুসলিম মদিনায় হিজরত করেন।
হাদিসে এসেছে, রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেন, আল্লাহ তাআলা কিয়ামতের দিন বলবেন, তোমরা মাথা ওঠাও। অতঃপর তারা মাথা ওঠালে তাদের আমল অনুপাতে নূর প্রদান করা হবে।
খাদিজা (রা.) ছিলেন রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর প্রথম স্ত্রী এবং ইসলামের প্রথম নারী যিনি ঈমান গ্রহণ করেছিলেন। তিনি রাসুলুল্লাহকে (সা.) সমর্থন দানকারী প্রথম ব্যক্তি।
রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর জীবন ছিল অনাড়ম্বর ও সাদাসিধা। তিনি জাঁকজমকহীন জীবন যাপন করা পছন্দ করতেন।
হজের মাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিন হলো ইয়াওমে আরাফা বা আরাফাতের দিন। জিলহজ মাসের ৯ তারিখ পবিত্র আরাফাতের দিন। এই দিনে আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করাকেই হজ বলা হয়েছে হাদিস শরিফে।
হাজিদের সেবা করার সুযোগ পাওয়া বড় সৌভাগ্যের ব্যাপার। কারণ হাদিসের ভাষ্য মতে, হাজিরা মহান আল্লাহর মেহমান।
ক্ষমার মহান বার্তা নিয়ে সমহিমায় হাজির হয়েছে রহমত, মাগফিরাত ও নাজাতের মাস পবিত্র মাহে রমজান। দেশের আকাশে দেখা মিলেছে মুমিনের হৃদয়ে প্রহর গোনা রমজানের একফালি চাঁদ।
মুসলমানদের জন্য অন্যতম বরকতময় একটি রাত শাবান মাসের ১৪ তারিখের দিবাগত রাত। ভারতীয় উপমহাদেশ, পারস্যসহ পৃথিবীর অনেক দেশে যা ‘শবেবরাত’ নামেই অধিক পরিচিত।
মহানবি (সা.) তার উম্মতকে সবসময় এমন উপদেশ দিতেন, যা তাদের ইহকাল ও পরকালের জন্য কল্যাণকর।