রাতের খাবারে আমরা কী খাচ্ছি, তার পাশাপাশি কী পান করছি সেটিও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। খাবারের প্লেটের দিকে নজর দিলেও পানীয়ের ক্ষেত্রে অনেকেই অসচেতন থাকেন। অথচ সন্ধ্যাকালীন কিছু নির্দিষ্ট পানীয় হজমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে, অ্যাসিডিটি বা বুক জ্বালাপোড়া বাড়াতে পারে, ঘুমে ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারে এবং এমনকি রক্তের শর্করাও বাড়িয়ে দিতে পারে।
হজম
হজমের অস্বস্তি এমন একটি সমস্যা যা নিয়ে অনেকেই নীরবে ভুগে থাকেন, বিশেষ করে দিনের প্রথম প্রহরে। পেট ফাঁপা, গ্যাস বা পেটে ভারী ভাব নিয়ে ঘুম থেকে উঠলে তা একেবারে শুরু থেকেই কর্মশক্তির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে।
প্রথমবারের মতো আফ্রিকান দেশ মৌরিতানিয়ার মুখোমুখি বিশ্বচ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা। দু’দলের ব্যবধানটা ব্যাপক, লিওনেল মেসিদের প্রতিপক্ষ পিছিয়ে ১১২ ধাপ।
ঈদের দিন সকাল থেকে রাত পর্যন্ত চলে হরেক পদের মুখরোচক ও তৈলাক্ত খাবারের ভুরিভোজ। সেমাই, পোলাও, রোস্ট আর বিকালের আড্ডায় চটপটি-ফুচকা সব মিলিয়ে আমাদের পাকস্থলীর ওপর দিয়ে বেশ বড় ধকল যায়। এক মাসের সংযমের পর হুট করে অতিরিক্ত মসলাদার খাবার খাওয়ার ফলে অনেকেরই বদহজম, পেটে গ্যাস বা অস্বস্তি দেখা দেয়।
ঈদ মানেই অনেক মুখরোচক আর জিভে জল আনা খাবারের আয়োজন। একদিকে সেসব খাবার দেখে নিজেকে সামলে রাখা দায়, অন্যদিকে সারা মাস রোজা রেখে আমাদের পেট তখন হঠাৎ একসঙ্গে এত এত ভারী আর মসলাদার খাবার খেতে অভ্যস্ত থাকে না।
সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস পানি—স্বাস্থ্যকর এক উপায়। চিকিৎসক থেকে পুষ্টিবিদ সবাই এমন অভ্যাসকে বাহবা দেন। কিন্তু গরম নাকি ঠাণ্ডা, কোন তাপমাত্রার পানি খাচ্ছেন, কোনটিতে কী উপকার, সেটিও ভেবে দেখতে হবে।
পাকস্থলীর ক্যানসারকে অনেককে বদহজমের সঙ্গে গুলিয়ে ফেলেন। তাই উপসর্গ দেখা দিলেও উপেক্ষা করেন। আর এ কারণেই বেশিরভাগ সময়ে দেরিতে ধরা পড়ে এই ক্যানসার। পাকস্থলীর সঙ্গে যেহেতু খাবার ও হজমের সম্পর্ক রয়েছে তাই খাদ্যাভ্যাসই এই ক্যানসারের জন্য দায়ী।
হজম সমস্যায় কমবেশি সবাই ভুগে থাকি। একটু বেশি ভাজাপোড়া বা মসলাদার খাবার খেয়ে ফেললে হজমের সমস্যা হয়।
ভারী খাবারের পর পেট ভারী হয়ে যায়। তখন অতিরিক্ত পেট ভরা অনুভূতি হতে থাকে। তখন ক্লান্ত লাগে আর ইচ্ছা করে শুয়ে থাকতে। ছুটির দিনে, পার্টিতে কিংবা দাওয়াতে ভারী খাবার খাওয়া হয়ই। আপনি এটি চাইলেও এড়াতে পারবেন না। তবে অস্বস্তির মধ্য দিয়ে কষ্ট পাওয়ার দরকার নেই।
বেশিরভাগ বাড়িতেই কাঁচা পেঁপে সবজি হিসেবে রান্না করে খাওয়া হয়ে থাকে। তবে, কাঁচা পেঁপে রান্নার করার চেয়ে রস করে খাওয়া বেশি উপকারী বলে প্রমাণিত।