শীত বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে হাঁপানি রোগীদের কষ্টও বাড়ে। ঠান্ডা বাতাস, কুয়াশা, ধুলোবালি কিংবা ভাইরাস সংক্রমণে অনেকেরই হঠাৎ শ্বাসকষ্ট শুরু হয়। রাতে শোয়ার পর বুকে চাপ, কাশি বা শ্বাস নিতে গেলে সাঁই সাঁই শব্দ—এ ধরনের উপসর্গ শীতকালে বেশি দেখা যায়। এমন পরিস্থিতিতে যদি আচমকা হাঁপানির টান ওঠে এবং হাতের কাছে ইনহেলার না থাকে, তাহলে কী করবেন—জেনে নেওয়াই সবচেয়ে জরুরি।
- ভারত সফরের অনুকূল পরিবেশ নেই: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
- * * * *
- রাজনীতি শিখতে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী আমার বাসায় আসতে চান- মেঘনা আলম
- * * * *
- নাটোরে সাংবাদিক লাঞ্ছিতের ঘটনায় ছাত্রদলের ৩ কর্মী বহিষ্কার
- * * * *
- নারী অ্যাথলেট পুরুষ প্রমাণিত: সব পদক বাতিল ও আজীবন নিষেধাজ্ঞা
- * * * *
- ইরানের বিরুদ্ধে অস্ত্রের বদলে অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টির পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
- * * * *
হাঁপানি
মৌসুম বদলের সময়ে বেড়ে যায় সংক্রমণ জনিত নানা রোগব্যাধি। বিশেষত হাঁপানি বা সিওপিডিতে ভোগা ব্যক্তিদের বেশি কষ্ট হয়। ঠান্ডার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ে হাঁপানি, শ্বাসকষ্ট।
হাঁপানি, দীর্ঘস্থায়ী এক শ্বাসযন্ত্রের রোগের নাম। এই সমস্যা থাকলে রোগীর শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। বিশ্বজুড়ে প্রতিবছর লাখ লাখ মানুষ আক্রান্ত হয় এই রোগে। প্রতিবছর ৬ মে পালন করা হয় আন্তর্জাতিক হাঁপানি দিবস।
শীতকাল আসলেই ঠান্ডার কারণে নানা রকম রোগের দেখা মিলে। তাদের মধ্যে হাঁপানি অন্যতম। অন্য যে কোনো ঋতুর থেকে শীতে হাঁপানির সমস্যা বেশি বেড়ে যায়।
শিশুদের হাঁপানি এমন একটি সমস্যা যেখানে শুধু ওষুধ সেবনে সব সময় কাক্সিক্ষত ফল পাওয়া যায় না। তাই আমরা অভিভাবকদের কিছু নিয়ম মেনে চলতে পরামর্শ দিই। হাঁপানি যেহেতু একটি দীর্ঘমেয়াদি অ্যালার্জিজনিত সমস্যা, এ নিয়মগুলো দিয়ে অ্যালার্জি থেকে দূরে থাকতে বলা হয়।
শীতকাল এলেই অনেকের শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায়। হঠাৎ শর্দি কাশি থেকেও শ্বাসকষ্ট হতে পারে। আবার যারা হাঁপানির রোগী তাদের এই সময়টা খুব কষ্টে কাটে।
মেদ ঝরানোর পাশাপাশি ক্যানসার, ডায়াবেটিস, হাঁপানির মতো রোগ নিরাময়ে করলার খুবই গুরুত্ব রয়েছে।
দেশের অনেক জেলায় তাপমাত্রা এক অঙ্কে নেমে এসেছে। তীব্র শীতে অনেকেরই অ্যাজমা বা হাঁপানির সমস্যা বেড়ে যায়। হাঁপানি সম্পূর্ণ নিরাময় হয় না।