সুন্দরী প্রকৃতি ৪৮ ঘণ্টা তুষারপাতে হয়ে উঠেছে ভয়ংকর সুন্দর! শৈলশহর মানালির রাস্তাঘাট হিমশীতল বরফের আচ্ছাদনে ঢেকেছে।
হিমাচল
প্রবল বর্ষণ এবং তার ফলে সৃষ্ট বন্যা, বজ্রপাত ও ভূমিধসে গত ২০ জুলাই থেকে ৩ আগস্ট— ১৪ দিনে ভারতের উত্তরপূর্বাঞ্চলীয় পার্বত্য রাজ্য হিমাচলে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ১৮৪ জন।
২৪ ঘণ্টায় ১১ বার মেঘভাঙা তুমুল বৃষ্টি! চারটি হড়পা বান! একের পর এক প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে নাজেহাল ভারতের হিমাচল প্রদেশ।
ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকেই উত্তর ভারত জুড়ে ঠান্ডার দাপট বেড়েছে। আগেই শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতাও দিয়েছিল ভারতের আবহাওয়া দপ্তর। গত কয়েক দিন ধরেই হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং জম্মু-কাশ্মীরে শৈত্যপ্রবাহের পরিস্থিতি চলছে
হিমাচল প্রদেশে গত কয়েক দিন ধরেই দুর্যোগ চলছে। সেই দুর্যোগ আরও বাড়তে পারে বলে পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। আগামী ১২ আগস্ট পর্যন্ত রাজ্যের বেশ কয়েকটি জেলায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে।
কয়েকদিন ধরে তীব্র শীত দেখা দিয়েছে। জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়েছে উত্তর ভারতেও। রেকর্ড ঠান্ডা দেখেছে ভারতের রাজধানী দিল্লি।
ভারতের হিমাচল প্রদেশের ১৭ হাজার ১২০ স্থানে ভূমিধসের আশঙ্কা দেখা রয়েছে। এর মধ্যে এক হাজার ৩৫৭টি স্থান শুধুমাত্র সিমলায়।
ভারী বৃষ্টিতে হিমাচলে প্রাণহানির সংখ্যা বেড়ে বৃহস্পতিবার ৭৪ জনে দাঁড়িয়েছে। সবশেষ উদ্ধারকর্মীরা সিমলায় শিব মন্দির থেকে একজনের মরদেহ পেয়েছে।
ভারতের হিমাচলে ভয়াবহ ভূমিধসের পর বৃষ্টিজনিত বিভিন্ন দুর্ঘটনায় রাজ্যটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৫।। মঙ্গলবার (১৫ আগস্ট) কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ১০ জন এখনও নিখোঁজ আছেন।হিমাচল প্রদেশে ভূমিধসের ধ্বংসযজ্ঞটি মারাত্মক ছিলো
কোথাও মেঘ ভাঙা বৃষ্টি। কোথাও আকস্মিক বান। কোথাও প্রবল বর্ষণের জেরে ভূমিধস। রোববার রাত থেকে শুরু হওয়া ‘প্রকৃতির রোষে’ ভারতের হিমাচল প্রদেশ রাজ্যে মৃত্যুর সংখ্যা ৫০ ছুঁয়েছে।