রাসূল সা:-এর মক্কা থেকে মদিনায় হিজরতের ঘটনাকে চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য চান্দ্রমাসের হিজরি সন সূচনা। আরবি বর্ষপঞ্জির সাথে পৃথিবীর ১৬০ কোটি মুসলমানের আবেগ-অনুভূতি ও ইসলামী আচার-অনুষ্ঠান সর্বোপরি ইবাদত-বন্দেগির বিষয়টি সরাসরি সম্পৃক্ত।
ইসলাম
সৃষ্টির সেরা মানবজাতির প্রয়োজনে মহান আল্লাহ তায়ালা যা কিছু সৃষ্টি করেছেন বৃক্ষ তার মাঝে অন্যতম। কারণ পরিবেশ ভারসাম্য রায় বৃক্ষ অতি প্রয়োজনীয়। মানুষের উপকারের কথা বিবেচনা করে ইসলাম ধর্মে বৃরোপণ বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। গাছ লাগানো বিশেষ সওয়াবের কাজ। বৃক্ষরোপণে সদকায়ে জারিয়ার সওয়াব লাভ করার এক সুবর্ণ সুযোগ।
নবী সা: স্বীয় জীবদ্দশায় মহররম ও আশুরার ফজিলত, আমল বিষয়ে বলে গেছেন, যা একাধিক সহিহ হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। অপর দিকে, কারবালার ঘটনা ঘটেছে রাসূল সা:-এর ইন্তেকালের অর্ধশতাব্দী পরে অর্থাৎ ৬১ হিজরিতে।
আল্লাহ ও রাসূলপ্রেমিক মুমিনের জন্য কারবালার ঘটনা অত্যন্ত দুঃখজনক ও হৃদয়বিদারক ঘটনা। আরবি বর্ষপরিক্রমার প্রথম মাস মহররম। এ মাসের ১০ তারিখ মহানবী সা:-এর ওফাতের ৫০ বছর পর ৬১ হিজরিতে সংঘটিত হয় এ মর্মান্তিক ঘটনা। এ দিনে মহানবী সা:-এর প্রিয় নাতি ইমাম হুসাইন রা: ও তাঁর পরিবার এবং বংশের ৭২ জন নির্মমভাবে শাহাদাত বরণ করেন।
পাপের সাগরে ডুবে থেকে মাঝে মধ্যে মানুষ ভুলেই যায় যে, একদিন তাকে আল্লাহ তায়ালার সামনে দাঁড়াতে হবে। স্বীকার করতে হবে জীবনের সব কৃতকর্ম।
দুয়ারে কড়া নাড়ছে নতুন আরেকটি বছর। আমাদের থেকে বিদায় নিচ্ছে ১৪৪৩ হিজরি। আগমন ঘটছে ১৪৪৪ হিজরির। আজ আপনাদের বলব, এই হিজরি সনের ইতিহাস।
পবিত্র মক্কার মসজিদে আল হারাম ও মদিনার মসজিদে নববী পরিচালনা পর্ষদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী শনিবার মক্কায় কাবার গিলাফ পরিবর্তন করা হচ্ছে।
১৪৪৪ হিজরি সনের পবিত্র মহরম মাসের চাঁদ দেখা এবং পবিত্র আশুরার তারিখ নির্ধারণের লক্ষ্যে আগামীকাল সন্ধ্যা সোয়া ৭টায় (বাদ মাগরিব) ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মুকাররম সভাকক্ষে জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির এক সভা অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতিশোধ মানে কোনো অন্যায় কাজ হয়ে থাকলে, সেই কাজটি নিজে করে প্রশান্তি অর্জন করা। তাই কেউ কোনো ক্ষতি করলে, আমরা তার প্রতিশোধ নিতে উঠেপড়ে লাগি। সময় সুযোগের অপেক্ষায় থাকি। অনেকে অন্তরে রাগ পুষে রাখি।
জাপানের বিখ্যাত ইয়াকোহামা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মাসারু ইমোটো ও জার্মানির একজন খ্রিষ্টান ডাক্তার কে এন পিফিপার জমজমের পানি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বলেছেন, জমজমের পানি হলো আকরিক পদার্থ। এক ফোঁটা জমজমের পানিতে যে পরিমাণ আকরিক পদার্থ থাকে তা পৃথিবীর অন্য কোনো পানিতে থাকে না।
সৌদি আরবের ভূতাত্ত্বিক জরিপ বোর্ডের অধীনে ‘জমজম’ কূপের ওপর একটি গবেষণাকেন্দ্র রয়েছে। ওই বোর্ডের সভাপতির ভাষ্যমতে, জমজমের পানির স্তর ভূপৃষ্ঠের প্রায় ১০.৬ ফুট নিচে। প্রতি সেকেন্ডে ক্রমাগত আট
এই পৃথিবীতে মানুষের যত দৌড়ঝাঁপ ও কর্মতৎপরতা তার সবই রিজিককে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়। রিজিক অর্জন করার জন্য মানুষ দিনরাত হার খাটুনি খাটে ও ঘাম ঝরানো পরিশ্রম করে। আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করার সাথে সাথে বেশ কিছু উপায় অবলম্বন করলে রিজিক বৃদ্ধি পায়।
জিকির হলো সর্বোত্তম ইবাদত। হজরত আবু দারদা রা: সূত্রে বর্ণিত- তিনি বলেন, রাসূল সা: সাহাবায়ে কেরামদের সম্বোধন করে ইরশাদ করেন, ‘আমি কি তোমাদেরকে এমন বস্তুর সংবাদ দেবো না যা তোমাদের যাবতীয় আমলের চেয়ে উত্তম, তোমাদের প্রভুর কাছে সর্বাধিক গ্রহণযোগ্য, তোমাদের মর্যাদা বিশেষভাবে বর্ধনকারী।
মহান আল্লাহ তায়ালা এই পৃথিবীতে মানুষকে সৃষ্টি করেছেন একমাত্র তাঁরই ইবাদতের জন্য। কিন্তু বাস্তবে মানুষ আজ বিভক্ত হয়ে গেছে নানা পথে, নানা মতে।
এ পৃথিবীতে যত নবী-রাসূল এসেছেন, তন্মধ্যে আমাদের প্রিয়নবী হজরত মুহাম্মদ সা:-ই সবার সেরা। তাঁর সম্মান ও মর্যাদা বর্ণনা করতে গিয়ে স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘নিশ্চয় আপনি সর্বোত্তম চরিত্রের অধিকারী’ (সূরা কলম-৪)। শুধু মুসলিম নয়, অমুসলিমরাও
পবিত্র কাবাঘর! মুসলমানদের হৃদয়ের স্পন্দন। যে ঘরের সাথে মিশে আছে মুসলমানদের আবেগ, ভালোবাসা! সে ঘরকে জীবনে একটিবারের জন্য হলেও দেখার আকাঙ্খামেটাতে মুসলমানরা ছুটে যায়। যে ঘরে হজের মৌসুমে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে সমবেত হন লাখো হাজী। ওমরাহ করতে যান লাখো মুসল্লি।