সরকারি যাকাত ফান্ডে যাকাত প্রদান করতে আহ্বান জানিয়েছে ইসলামিক ফাউন্ডেশন। বৃহস্পতিবার ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ আহ্বান জানানো হয়।
- কলাপাড়ায় কৃষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা
- * * * *
- নারায়ণগঞ্জে পাওনা টাকা চাওয়ায় বৃদ্ধকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ
- * * * *
- সকল ক্ষেত্রে সুশাসন প্রতিষ্ঠা সরকারের মূল লক্ষ্য : জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী
- * * * *
- বাসাইলে ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে সাপ্তাহিক পরিচ্ছন্নতা অভিযান
- * * * *
- গ্রাম-শহরের প্রতিবন্ধী শিশুরা আসবে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায়, প্রকল্প চূড়ান্ত: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
- * * * *
ইসলাম
মানুষ আল্লাহ তা’য়ালার সৃষ্ট সেরা জীব। তার হাতেই সকলের জীবন-মরণ। বিশ্বব্রহ্মাণ্ডে তিনিই সব কিছুর প্রধান নিয়ন্ত্রক। সব ক্ষমতা তাঁরই হাতে। মানব জাতির পথনির্দেশিকা হিসেবে তিনি অসংখ্য বিধি-বিধান তাঁর ঐশী গ্রন্থ আল কুরআনে বর্ণনা করেছেন। তাঁর দেয়া এসকল বিধি-বিধান মেনে চলার মাঝেই রয়েছে প্রকৃত শান্তি ও সফলতা।
জনপ্রতি সর্বনিম্ন ৭০ টাকা সর্বোচ্চ দুই হাজার ২০০ টাকা হারে ১৪৪১ হিজরি সনের সাদকাতুল ফিতরের হার নির্ধারণ করেছে জাতীয় ফিতরা নির্ধারণ কমিটি।
রমাদানের অনালোচিত একটি পরিচয়- এটি বিজয়ের মাস। মুসলিম উম্মাহর বিজয়ের ইতিহাসের উল্লেখযোগ্য ১২টি এসেছে এ মাসে। তন্মধ্যে- বদর ১৭ রমাদান ২হি, মক্কা বিজয় ২৩ রমাদান ৮হি, খন্দক ও তাবুক যুদ্ধের সূচনাও ছিল রমাদানে, তারিক বিন যিয়াদ র.-এর স্পেন (আন্দালুস) বিজয় ২৮ রমাদান ৯৩হি, মুহাম্মাদ বিন কাশিম-এর সিন্ধু বিজয় ২০ রমাদান ৯৪হি, সালাউদ্দীন আইউবী র.-এর জেরুজালেম বিজয়, হিত্তিন-এর যুদ্ধ রমাদান ৫৮৩হি, আইনজালুতের যুদ্ধ ২৫ রমাদান ৬৫৮হি: ইত্যাদি। অবশ্য ১৪৫৩ খ্রি অটোমান সুলতান দ্বিতীয় মুহাম্মদ কর্তৃক কনস্টান্টিনোপল (ইস্তাম্বুল) বিজয়ের পর উম্মাহর জীবনে আর কোনো বিজয় আসেনি।
মানুষ রমাদানের কল্যাণবঞ্চিত হয় তখনই, যখন মনোদৈহিক সত্ত্বা হয়েও সে কেবল খাদ্য ও পানীয় পরিত্যাগে সিয়াম সাধনা করে। হৃদয়-মনকে বাদ দিয়ে কেবল শরীরের যত্ন নিলেতো নিজ সত্ত্বাকেই অস্বীকার করা হয়, তাতে মানবমর্যাদা ভুলুন্ঠিত হয়। অথচ সিয়ামের বিধানতো
ও আমার রব! ও আমার জীবন-মৃত্যুর মালিক ! আমি ভালো করেই জানি, তুমি একান্ত দয়ায় আবারও একটি রহমতঘেরা ইবাদাতের বসন্ত উপহার দিলে। দুনিয়াজুড়ে মৃত্যুর মিছিলে বনি আদমের অংশগ্রহণ যখন বেড়েই চলেছে, ঠিক তখনও আমি, আমার পরিবার, বন্ধু-স্বজন নিয়ে বেঁচে থাকাটা তোমার কত বড় দয়া (!)
ধর্ম প্রতিমন্ত্রী শেখ মো: আব্দুল্লাহ বিবিসিকে জানিয়েছেন, মসজিদে তারাবির নামাজে দু'জন কোরানে হাফেজসহ ১২জনের বেশি অংশ নিতে পারবেন না।
বাংলাদেশে আগামী শনিবার রোজা শুরু হবে কিনা, সেজন্য শুক্রবার সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হবে। ইসলামিক ফাউন্ডেশন বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে এ সভায় ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ও জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ মো. আব্দুল্লাহ সভাপতিত্ব করবেন।
১৬. আমরা কবে বিশ্বাসকে নিজ চিন্তা ও কাজের মাঝে খুঁজতে শিখব- যেখানে বুকের ও মুখের ভাষাকে পৃথক করা যাবে না?
১৭. আমরা কবে নবীজির সে দান পদ্ধতিকে অনুসরণ করতে শিখবো, যেখানে দাতা ও গ্রহিতার আনন্দকে আলাদা করা যাবে না?
১৮. আমরা কবে শুধুই হাদিয়া (উপহার) গ্রহণকারী হবো না বরং নিজের সামর্থানুযায়ী হাদিয়া দিতেও শিখবো?
ইবাদাতের বসন্তকাল রমাদান। রহমানী চাদরে ঢাকা এ মেহমান আমার হৃদয়-মনকে কতটা আবিষ্ট করেছে? এটিতো একটি সময়কাল মাত্র।এখানে রয়েছে দু‘টি মৌলিক উপহার- একটি কুরআন অন্যটি সিয়াম’।
বৃহস্পতিবার থেকে বিশ্বের অধিকাংশ দেশেই মুসলমানের পবিত্রতম রমজান মাস শুরু হচ্ছে, কিন্তু করোনাভাইরাস মহামারির কারণে এবার বিশ্বজুড়ে মুসলমানদের যে ধরণের কঠোর বিধিনিষেধের মধ্যে রোজা পালন করতে হবে, তার নজীর ইতিহাসে বিরল।
মসজিদে হারামের প্রধান ইমাম শাইখ আবদুর রহমান আল সুদাইস বলেছেন, পবিত্র রমজান মাসে মসজিদে হারাম ও মসজিদে নববীতে তারাবি নামাজ হবে।
ইসলামের রীতি অনুযায়ী চাঁদ দেখার ওপর নির্ভরশীল আরবি মাস। চাঁদ দেখার মাধ্যমেই সারাবিশ্বের মুসলিমরা মাসব্যাপী রোজা পালন করেন।
‘মৃত্যুদূত করোনা’ যখন বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী,ধনী-গরীব,ক্ষমতাশালী-দুর্বল তথা আবাল-বৃদ্ধের জীবন দুয়ারে প্রতিনিয়ত কড়া নাড়ছে, মৃত্যুভয় ও তার মিছিল যখন প্রিয়জন থেকে পালাতে বাধ্য করছে,জানাজা বা কবরস্থ করার সাহসও কেড়ে নিয়েছে। ঠিক তখনই লকডাউনে ঘরে বসে সংবাদ মাধ্যম,সোশ্যালমিডিয়া এবং টেলিফোনিক যোগাযোগের মাধ্যমে যা দেখছি, তা আমাকে বিস্মিতই করছে। একটি প্রশ্ন বার বার নাড়া দিচ্ছে, কত উদাসীন হলে আমি এমন হতে পারি—
বিশ্বজুড়ে করোনা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট পরিস্থিতিতে চলতি বছর হজ গমনেচ্ছুদের জন্য নিবন্ধন কার্যক্রমের সময়সীমা আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
সুস্থতাই হচ্ছে মানুষের জীবনের সেরা সুখ ও শান্তি। আল্লাহর তিনিটি রহমতের মধ্য একটি হলো ‘সুস্থতা’। আর এই ‘সুস্থতা’ হলো মহান আল্লাহ তাআলার নেয়ামত।