জুমার দিন মুসলমানদের জন্য এক অতি বরকতময় ও সপ্তাহের সেরা দিন। এ দিনে জুমার দুই রাকাত ফরজ নামাজের পাশাপাশি সুন্নাত নামাজ আদায় করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ ও সওয়াবের কাজ।
- ১০ নভেম্বর পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে বৃষ্টির পূর্বাভাস
- * * * *
- সব ধর্মাবলম্বীর অংশগ্রহণে মানবিক বাংলাদেশ গড়তে চাই: ডেপুটি স্পিকার
- * * * *
- বাঞ্ছারামপুরে অচেতন অবস্থায় অজ্ঞাত নারী উদ্ধার
- * * * *
- শালিখায় ছাত্রীকে যৌন হয়রানির ঘটনায় যুবক আটক
- * * * *
- সীমান্তে গুলির পর আহত বাংলাদেশিকে ধরে নিয়ে গেল বিএসএফ
- * * * *
ইসলাম
রাতে বিছানায় যাওয়ার পরও অনেকের সহজে ঘুম আসে না। দুশ্চিন্তা, মানসিক চাপ ও নানা কারণে অনিদ্রার সমস্যা দেখা দিতে পারে। দীর্ঘদিন পর্যাপ্ত ঘুম না হলে শারীরিক সুস্থতা ও মানসিক প্রশান্তি ব্যাহত হয়। তাই সুস্থ জীবনযাপনের পাশাপাশি মানসিক প্রশান্তির জন্য আল্লাহর স্মরণ ও দোয়ার প্রতি মনোযোগী হওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর আমি তোমাদের নিদ্রাকে করেছি বিশ্রাম।’ (সুরা নাবা: ৯)
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সান্নিধ্য লাভের অন্যতম প্রধান মাধ্যম নামাজ। একজন মুমিনের জন্য এটি শুধু ফরজ ইবাদতই নয়, বরং আত্মিক প্রশান্তি ও জীবনে বরকত লাভেরও অন্যতম মাধ্যম।
জিনা ও ব্যভিচার মারাত্মক গুনাহগুলোর একটি। ইসলামের দৃষ্টিতে জিনা কবিরা গুনাহের অন্তর্ভুক্ত। পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা একে অশ্লীল ও মন্দ কাজ বলে অভিহিত করেছেন। বর্ণিত হয়েছে, আর তোমরা ব্যভিচারের কাছে যেয়ো না, নিশ্চয় তা অশ্লীল কাজ ও মন্দ পথ। (সুরা বনী-ইসরাঈল, আয়াত, ৩২)
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
চারপাশ যখন নীরব, মানুষের ব্যস্ততা যখন থেমে আসে, তখন রাতের নির্জনে আল্লাহর সামনে দাঁড়ানোর সুযোগ তৈরি হয়। এ সময়ের ইবাদতে থাকে একাগ্রতা, আত্মসমালোচনা ও একান্তে আল্লাহর কাছে ফিরে যাওয়ার সুযোগ। -
জীবন কখন, কিভাবে বিপদের মুখে পড়বে, তা কেউ জানে না। আগুনে পুড়ে মৃত্যু, পানিতে ডুবে যাওয়া, ভবনধসে চাপা পড়া কিংবা বিষাক্ত প্রাণীর দংশন—এমন অনাকাঙ্ক্ষিত বিপদ মানুষের জীবনে মুহূর্তেই নেমে আসতে পারে।
অসুস্থতা সারানো, জাদুটোনা দূর করা, হারানো জিনিস খুঁজে পাওয়া কিংবা ভবিষ্যৎ জানার জন্য কেউ কেউ জ্বিনের সাহায্য নেওয়ার চেষ্টা করেন। অনেকে ‘মুসলিম জ্বিন’ বা ‘মুয়াক্কিল’-এর সাহায্যে সমস্যা সমাধানের দাবিও করেন।
অনাথ ও অসহায় শিশুকে আশ্রয় দিয়ে লালন-পালন করা ইসলামে অত্যন্ত সওয়াবের কাজ। রাসুলুল্লাহ (স.) বলেছেন, ‘আমি ও ইয়াতিমের তত্ত্বাবধানকারী জান্নাতে এভাবে থাকব।’ এ কথা বলে তিনি তর্জনী ও মধ্যমা আঙুল মিলিয়ে ইশারা করেন। (সহিহ বুখারি: ৬০০৫)
কারো কারো শরীরে জন্মদাগ থাকে। জন্মগতভাবেই অনেকের শরীরের বিভিন্ন অঙ্গত্রুটিযুক্ত থাকে। জন্মদাগ সাধারণত ত্বকের রক্তনালি, রঞ্জক পদার্থ বা পিগমেন্টের অস্বাভাবিকতার কারণে তৈরি হয়।
মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় লড়াইগুলোর একটি হলো নিজের প্রবৃত্তি ও মন্দ ইচ্ছার বিরুদ্ধে লড়াই করা। বাহ্যিক সাফল্যের পাশাপাশি অন্তরকে পবিত্র রাখা এবং অন্যায় থেকে দূরে থাকাও একজন মানুষের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব।
মানুষ তার পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও কর্মস্থলের জন্য জীবনের অনেক গুরুত্বপূর্ণ সময় ব্যয় করে দেয়। দুনিয়াকে সাজানোর স্বপ্নের পেছনে ছুটতে ছুটতে মানুষ একদিন অন্ধকার কবরে চলে যায়।
সবকিছু আগের মতোই থেকে যায়, কিন্তু সেই মানুষটার চিহ্নও একসময় হারিয়ে যায়।
পবিত্র আল কোরআনের আলোকে আমরা জানতে পারি, নবী করিম (সা.)-এর ইহসান তথা দয়া করেছেন, মহান আল্লাহতায়ালা নবীজি (সা.)-কে রাহমাতুল্লিল আলামিন ঘোষণা করেছেন। মহান আল্লাহ বলেন, আর আমি তো আপনাকে বিশ্বজগতের প্রতি কেবল রহমতস্বরূপ তথা রাহমাতুল্লিল আলামিন হিসেবে প্রেরণ করেছি (সুরা আম্বিয়া-১০৭)। আল্লাহ আরও বলেছেন, নবী করিম (সা.) ইমানদারদের কাছে তাদের নিজেদের জানের চেয়েও অধিক ঘনিষ্ঠ (সুরা আহজাব-০৬)।
ইসলামের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ স্তম্ভ হলো নামাজ। ইমানের পর নামাজই সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আমল। পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের পাশাপাশি ইসলামের বিভিন্ন নফল সালাতেরও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি ও সান্নিধ্য লাভের অন্যতম প্রধান মাধ্যম নামাজ। একজন মুমিনের জন্য এটি শুধু ফরজ ইবাদতই নয়, বরং আত্মিক প্রশান্তি ও জীবনে বরকত লাভেরও অন্যতম মাধ্যম।
সন্তানের জন্মের পর আকিকা করা একটি গুরুত্বপূর্ণ আমল। সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার সপ্তম দিনে আকিকা করা মুস্তাহাব বা উত্তম। যদি কোনো কারণে সপ্তম দিনে আকিকা করা সম্ভব না হয়, তবে পরবর্তীতে যখনই করা হোক না কেন, সপ্তম দিনের হিসাব রক্ষা করা ভালো।
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তাআলা জান্নাতের অফুরন্ত নেয়ামতের পাশাপাশি জাহান্নামের বিভীষিকাময় শাস্তির বিবরণও দিয়েছেন, যাতে মানুষ সতর্ক হয়, পাপ থেকে ফিরে আসে এবং পরকালের মুক্তির জন্য প্রস্তুতি গ্রহণ করে।