পাকিস্তানের বিপক্ষে ইতিহাস গড়া হলো না জিম্বাবুয়ের

পাকিস্তানের বিপক্ষে ইতিহাস গড়া হলো না জিম্বাবুয়ের

সংগৃহীত

ঘরের মাঠে তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজে পাকিস্তানকে আতিথ্য দেয় জিম্বাবুয়ে। সিরিজের শুরুটা দুঃস্বপ্নের মতোই হয়েছে ম্যান ইন গ্রিনদের। প্রথম ম্যাচে স্বাগতিকদের বিপক্ষে হারের দেখা পেয়ছে রিজওয়ানরা। তাতে অবশ্য জিম্বাবুয়ে স্বপ্ন দেখতে ছিলো এক ম্যাচ জিতলেই পাকিস্তানের বিপক্ষে প্রথমবারের মতো সিরিজ জয়ের স্বাদ পেতো। সেই ইচ্ছে অপূর্ণই থেকে গেল স্বাগতিকদের। সিরিজের বাকি দুই ম্যাচ দারুণভাবে ঘুরে দাঁড়ায় পাকিস্তান। এতে ২-১ ব্যবধানে সিরিজও জেতেন তারা। 

বুলাওয়েতে আজ পাকিস্তানের বোলিং তোপে পড়ে মাত্র ২০৪ রানে গুটিয়ে গেছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়ে। শুরুতে ব্যাটিং করা পাকিস্তানকে ৩০৩ রানের পুঁজি এনে দিতে দাপুটে এক সেঞ্চুরি হাঁকান কামরান গোলাম। ১০৩ রানের ইনিংসে ম্যাচসেরাও হয়েছেন এই টপ অর্ডার ব্যাটার। আগের ৬ ম্যাচে মাত্র ২২ রান করা কামরান এবার পেলেন মেডেন সেঞ্চুরির দেখা।

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে আগে ব্যাটিং করতে এসে ৫৮ রানেই উদ্বোধনী জুটি ভাঙে পাকিস্তানের। ফারাজ আকরামের শিকার হয়ে ফেরেন ৩১ রান করা ওপেনার সাইম আইয়ুব। দলীয় ১১২ রানে ফেরেন আরেক ফিফটি করা ওপেনার আব্দুল্লাহ শফিক। তিনে নামা কামরান একপাশ আগলে দ্রুতই সেঞ্চুরি তোলেন। ৯৯ বলে ১০৩ রান করে ফেরেন তিনি। 

তবে শেষ দিকে ব্যাটিং করা সালমান আগা ও তৈয়ব তাহিরের বিধ্বংসী ব্যাটে ৩০০ পেরোনো পুঁজি পায় তারা। ১৬ বলে চারটি বাউন্ডারিতে ২৯ রানে অপরাজিত ছিলেন তৈয়ব। তাতে নির্ধরিত ৫০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ৩০৩ রান সংগ্রহ পায় রিজওয়ানরা। 

৩০৪ রানের লক্ষ্যটা স্বাগতিকদের জন্য অনেক চাপের হয়, দুই দলের শক্তিমত্তার বিবেচনায়। লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরুতেই ধাক্কা খায় জিম্বাবুয়ে। দলীয় ১০ রানে ২ ব্যাটারকে হারিয়ে। ইনিংসের তৃতীয় ওভারে জোড়া সাফল্য এনে দেন অফস্পিনার সাইম আইয়ুব। চারে নেমে এক প্রান্ত আগলে রেখে ইনিংস বাড়ানোর কাজ করেন ক্রেইগ আরভিন। কিন্তু অন্য পাশে নিয়মিত আউট হতে থাকেন সতীর্থরা।

নিজেও ফিফটি করার পর সতীর্থদের পথই অনুসরণ করেন। ১ ছয় ও ৫ চারে ৫১ রানের সর্বোচ্চ ইনিংস খেলেন তিনি। শেষ দিকে ৩৭ রান করে হারের ব্যবধান কমিয়েছেন অলরাউন্ডার ব্রায়ান বেনেট। শেষ পর্যন্ত সব উইকেট হারিয়ে ২০৪ রান করে জিম্বাবুয়ে। এতে ৯৯ রানের জয় পায় পাকিস্তান।