শীতে উপকারী ৩ পানীয়

শীতে উপকারী ৩ পানীয়

ফাইল ছবি

শীতে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ধূলিকণার প্রকোপ বেশি। আর এগুলো প্রথম হানা দেয় ফুসফুসে। ফুসফুস দুর্বল হয়ে পড়া মানেই শরীর ধীরে ধীরে ভেঙে পড়তে শুরু করে। আর এমনিতেও শীতকালে কমবেশি সবাই সর্দি, হাঁচি-কাশি, জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়ার সমস্যায় ভোগেন। এর সঙ্গে বাড়ে ফুসফুসের সংক্রমণও। তা ছাড়া যারা ধূমপান করেন, ফুসফুসের সংক্রমণের ঝুঁকি তাদের কয়েক গুণ বেশি।

আর শীত পড়তে না পড়তেই ফুসফুসের সংক্রমণের সমস্যা বাড়ে। তাই ফুসফুস টক্সিনমুক্ত রাখতে হবে। কয়েকটি পানীয়তে চুমুক দিলেই ফুসফুস থেকে টক্সিক পদার্থ বেরিয়ে যেতে পারে। শীতে ফুসফুস সংক্রমণের ঝুঁকি কমাতে, কোন পানীয়গুলোতে চুমুক দিতে পারেন?

১. হলুদ-আদার চা

কাশি হলে অনেকেই মুখে শুকনো আদা রাখেন। সর্দি-কাশি হলে গোটা আদা চিবিয়ে খেলে শ্বাসযন্ত্রের আরাম হয়। সারা দিন মাঝেমধ্যে আদা চিবিয়ে খেলে ফুসফুসে জমা দূষিত পদার্থ পরিষ্কার হয়। সকালে উঠে আদা ও কাঁচা হলুদ মিশিয়ে চা খেতে পারেন। ফুসফুসে জমে থাকা টক্সিক পদার্থ বের করে দিতে এই পানীয় বেশ কার্যকর।

২. গ্রিন টি

এই চায়ে ভরপুর মাত্রায় অ্যান্টিঅক্সিড্যান্ট থাকে। গোটা শরীরের দূষিত পদার্থ পরিষ্কার করতে এর বিকল্প নেই। ফুসফুসে জমা ক্ষতিকারক পদার্থও সহজে বের করতে পারে এই পানীয়।

৩. লেবু-মধুর পানি

ওজন ঝরাতে স্বাস্থ্য সচেতন অনেকেই ঘুম থেকে উঠে কুসুম গরম পানিতে লেবু, মধু মিশিয়ে খান। এই পানীয় কিন্তু শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতেও সমান কার্যকর। ফুসফুস দূষণমুক্ত রাখতেও এই পানীয়তে চুমুক দিতে পারেন।