বাতাস প্রবাহিত হলে মহানবী (সা.) যে দোয়া পড়তেন

বাতাস প্রবাহিত হলে মহানবী (সা.) যে দোয়া পড়তেন

ছবি: সংগৃহীত

প্রকৃতির প্রতিটি পরিবর্তনই আল্লাহ তাআলার অসীম কুদরতের একেকটি নিদর্শন। কখনো মৃদুমন্দ বাতাস হৃদয়কে প্রশান্ত করে, আবার কখনো প্রবল ঝড়-তুফান মানুষের মনে ভয় ও আতঙ্ক সৃষ্টি করে।

 কখনো এটি রহমত বয়ে আনে—মেঘমালা সঞ্চালিত করে, বৃষ্টি নিয়ে আসে, ফসলের পরাগায়ণ ঘটায় এবং মানুষের জন্য স্বস্তির কারণ হয়। আবার কখনো এটি শাস্তির মাধ্যমেও পরিণত হতে পারে। একজন মুমিনের বৈশিষ্ট্য হলো—সে প্রকৃতির এসব ঘটনাকে শুধু প্রাকৃতিক প্রক্রিয়া হিসেবে দেখে না; বরং এর মাধ্যমে মহান রবের শক্তি, ক্ষমতা ও হিকমতের কথা স্মরণ করে। তাই মহানবী (সা.) বাতাস প্রবাহিত হলে আল্লাহর কাছে এর কল্যাণ কামনা করতেন এবং এর অকল্যাণ থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করতেন।

দোয়াটি হলো-

اللَّهُمَّ إِنِّي أَسْأَلُكَ خَيْرَهَا، وَخَيْرَ مَا فِيهَا، وَخَيْرَ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ، وَأَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّهَا، وَشَرِّ مَا فِيهَا، وَشَرِّ مَا أُرْسِلَتْ بِهِ

উচ্চারণ : আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা খাইরাহা, ওয়া খাইরা মা ফিহা, ওয়া খাইরা মা উরসিলাত বিহি। ওয়া আউজু বিকা মিন শাররিহা, ওয়া শাররি মা ফিহা, ওয়া শাররি মা উরসিলাত বিহি।

অর্থ : ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে এ বাতাসের কল্যাণ, এর মধ্যে নিহিত কল্যাণ এবং যে কল্যাণসহ একে প্রেরণ করা হয়েছে তা প্রার্থনা করছি। আর আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই এর অনিষ্ট থেকে, এর মধ্যে থাকা অনিষ্ট থেকে এবং যে অনিষ্টসহ একে প্রেরণ করা হয়েছে তা থেকে।

’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস নং : ৮৯৯)