যশোরে "নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশ ফেরতদের পুনরেকত্রীকরণ" শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত
ছবি: প্রতিনিধি
যশোর প্রতিনিধি: জীবিকার দরকার আছে কিন্তু জীবিকার জন্য জীবন যেন মারা না যায় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। আমরা বিদেশ যেতে উৎসাহিত করবো কিন্তু জীবন কে বিপন্ন করে নয়। সঠিক ভাবে প্রশিক্ষণ নিয়ে সঠিক পথে সুস্থ ভাবে বিদেশ যেতে পারে সেদিকে খেয়াল রাখব এবং উৎসাহীত করবো। আমরা যাদের নিয়ে কাজ করছি তাদের প্রতি অবশ্যই আন্তরিক হবো।
আজ দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ও ব্র্যাকের যৌথ অর্থায়নে বাস্তবায়িত ইমপ্রুভড সাসটেইনেবল রিইন্ট্রিগেশন অব বাংলাদেশি রিটার্নি মাইগ্রেন্টস (প্রত্যাশা-২)’ প্রকল্পের আওতায় ‘নিরাপদ অভিবাসন ও বিদেশ-ফেরতদের টেকসই পুনরেকত্রীকরণ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আজাহারুল ইসলাম এ কথা বলেন।
তিনি আরও বলেন, ব্যক্তিগত কারনে কেউ বিদেশ যায় না, যায় পারিবারিক ও আর্থিক প্রয়োজনে, একজন ব্যক্তি তার যাবতীয় সম্পদ বিক্রয় করে বিদেশ যায়, শুধু মাত্র উন্নত জীবনের আশায়। দেশের একজন নাগরিক হিসেবে আমাদের কর্তব্য এই মানুষ গুলোর যাওয়ার পথ যাতে সহজ হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে।
স্থানীয় সরকারের উপ- পরিচালক (উপ সচিব) জনাব রফিকুল হাসান বলেন, দালালদের কিভাবে ধরা যায় তাদের জন্য কোন এনজিও নিয়োগ করা যায় কিনা, যারা এই দালালদেরকে ধরবে। বিভিন্ন সরকরি দপ্তরে যে সব প্রশিক্ষণ হয়, সেখানে নিরাপদ অভিবাসন নিয়ে ভিডিও দেখানোর মাধ্যমে জনগন কে সচেতন করা উচিত।
ব্রাক ওয়েলফেয়ার সেন্টার যশোরের সহকারী পরিচালক জনাব ফসিউল আলম বলেন, বিমান বন্দরের সৎ ও যোগ্য লোকের প্রয়োজন, অনেক এজেন্সি আছে বৈধ ডকুমেন্টস না থাকা সত্বেও বিদেশে লোক পাঠাচ্ছে, যার জন্য বিদেশে গিয়ে এদেশের সাধারন লোক জন প্রতারনার শিকার হচ্ছে।
বিদেশ ফেরত ঝিকরগাছার বাসিন্দা ইকরাম অবৈধভাবে বিদেশে গিয়ে তার অভিজ্ঞতার কথা জানান।
কর্মশালায় উপস্থিত ছিলেন,স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক রফিকুল হাসান,অতিরিক্ত জেলা প্রশাাসক কমলেশ মজুমদার, ব্র্যাক মাইগ্রেশন প্রোগ্রামের সিনিয়র ম্যনেজার জনাব সাজ্জাদ হোসেন সহ বিভিন্ন সরকারী ও বেসরকারী অফিসের কর্মকর্তা ও এনজিও প্রতিনিধিরা ।
কর্মশালা শেষে প্রধান অতিথি একজন ক্ষতিগ্রস্থ বিদেশ ফেরত ব্যক্তিকে আর্থিক সহায়তার চেক হস্তান্তর করেন।