কিরগিজস্তানে ইসলামী ব্যাংকিং অর্থায়নে প্রবৃদ্ধি ৬১ শতাংশ
ফাইল ছবি
কিরগিজস্তানে ইসলামিক ফাইন্যান্সিং নীতির প্রতি আগ্রহ ক্রমশ বাড়ছে। ২০২৪ সালের শেষে এই খাতে মোট অর্থায়নের পরিমাণ ছিল নয় বিলিয়ন কিরগিজ সোম (KGS), আর ২০২৫ সালের জুলাইয়ের মধ্যে তা ৬১ শতাংম বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ দশমিক পাঁচ বিলিয়ন কিরগিজ সোম-এ।
বর্তমানে দেশটির পাঁচটি বাণিজ্যিক ব্যাংক ইসলামিক ব্যাংকিং সেবা প্রদান করছে। সবচেয়ে বেশি প্রবৃদ্ধি হয়েছে জনসাধারণের পরিচিত খাতে। যেমন—
১. হাউজিং (মর্টগেজ) খাতে, যা প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ বেড়ে ৫.৩ বিলিয়ন সোম ছাড়িয়েছে।
২. ভোক্তা অর্থায়ন (কনজিউমার ফাইন্যান্স) ৮২ শতাংশ বেড়ে ২.৯ বিলিয়ন সোমে পৌঁছেছে।
৩. কৃষি ও নির্মাণ খাতেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এই প্রবৃদ্ধি ইসলামিক ফাইন্যান্সের বাস্তবমুখী প্রসার ঘটার ইঙ্গিত দেয়।
ইসলামিক অর্থায়নের খাতভিত্তিক কাঠামো (পরিমাণ ও প্রবৃদ্ধি):
১. শিল্পখাত : অর্থায়ন : ৪০০ মিলিয়ন কেজিএস। প্রবৃদ্ধি : ১০ দশমিক চার শতাংশের বেশি।
২. কৃষি : অর্থায়ন : ২ বিলিয়ন কেজিএস। প্রবৃদ্ধি : ৪৭ দশমিক ছয় শতাংশ।
৩. বাণিজ্য : অর্থায়ন : এক দশমিক তিনবিলিয়ন কেজিএস। প্রবৃদ্ধি : ২৬ দশমিক আট শতাংশ।
৪. নির্মাণ : অর্থায়ন : ৭০০ মিলিয়ন কেজিএস। প্রবৃদ্ধি : ৩৩ দশমিক সাত শতাংশ।
৫. মর্টগেজ (বাড়ি ঋণ) : অর্থায়ন : পাঁচ দশমিক তিন বিলিয়ন কেজিএস। প্রবৃদ্ধি : ৬৪ দশমিক পাঁচ শতাংশ।
৬. ভোক্তা ঋণ : অর্থায়ন : দুই দশমিক নয় বিলিয়ন কেজিএস। প্রবৃদ্ধি : ৮২ শতাংশ।
৭. অন্যান্য খাত : অর্থায়ন : দুই বিলিয়ন কেজিএস। প্রবৃদ্ধি : ৯৭ দশমিক দুই শতাংশ।
বিশেষভাবে লক্ষণীয় হলো অন্যান্য খাতের আওতায় অর্থায়ন, যা বছরের শুরুর তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে, যা এই খাতে পণ্যের বৈচিত্র্য ও চাহিদা বিস্তারের ইঙ্গিত দেয়।
আরো আশ্চর্যের বিষয় হলো, এই দ্রুতগতির প্রবৃদ্ধির মাঝেও বিতরণকৃত ঋণের খেলাপি হার হ্রাস পেয়েছে। বর্তমানে এটি মাত্র তিন শ মিলিয়ন কেজিএস, যা ইসলামিক ফাইন্যান্স ঋণ পোর্টফোলিওর মাত্র দুই দশমিক তিন শতাংশ।
সূত্র : একেআই প্রেস ডটকম