অযোগ্য ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া নিষিদ্ধ
ছবি: সংগৃহীত
আবু ইয়াহইয়া উসাইদ ইবনু হুজায়ির (রা.) থেকে বর্ণিত, একজন আনসারি বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসুল! আপনি কি আমাকে কোনো রাষ্ট্রীয় পদে নিয়োগ দেবেন, যেমন অমুককে দিয়েছেন? তিনি বললেন, তোমরা আমার পর (অবৈধভাবে) অগ্রাধিকার দেওয়ার কাজ দেখবে! সুতরাং ধৈর্য ধারণ করবে; যে অবধি তোমরা হাউজের কাছে আমার সঙ্গে সাক্ষাত্ না করবে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৩৭৯২)
শিক্ষা
হাদিসবিশারদরা বলেন, উল্লিখিত হাদিসে নবীজি (সা.) নিম্নোক্ত নিদের্শনাগুলো দিয়েছেন। তা হলো—
১. ইসলামে দুনিয়ার মোহ ও পদ-পদবির আকাঙ্ক্ষা নিষিদ্ধ।
২. দায়িত্ব অর্পণের ক্ষেত্রে অযোগ্য ব্যক্তিকে প্রাধান্য দেওয়া খিয়ানত ও গুনাহের কাজ।
৩. সমাজ ও রাষ্ট্রে অন্যায় ছড়িয়ে পড়লে মুমিনরা পার্থিব প্রাপ্তির ক্ষেত্রে পিছিয়ে পড়তে পারে। তখন তাদের দায়িত্ব হলো দ্বিনদারিকে আঁকড়ে ধরা এবং ধৈর্যধারণ করা।
৪. অযোগ্য ব্যক্তি পদ-পদবি দাবি করলেও তাকে নিয়োগ দেওয়া উচিত নয়। কেননা এটা তাঁর ও অন্যের প্রতি সমান জুলুম। সে হক আদায় না করে গুনাহগার হবে এবং অন্যরা হক থেকে বঞ্চিত হয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
৫. হাদিসে পরোক্ষভাবে সাহাবিকে হাউজে কাউসারের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে। কেউ কেউ বলেছেন, সব আনসারি সাহাবিকে হাউজে কাউসারের সুসংবাদ দেওয়া হয়েছে। (মাউসুয়াতুল হাদিসিয়্যা)