এবার চট্টগ্রাম বন্দরে অস্থায়ী নিয়োগ পেলেন ৯ ‘জুলাই যোদ্ধা’

এবার চট্টগ্রাম বন্দরে অস্থায়ী নিয়োগ পেলেন ৯ ‘জুলাই যোদ্ধা’

এবার চট্টগ্রাম বন্দরে অস্থায়ী নিয়োগ পেলেন ৯ ‘জুলাই যোদ্ধা’।। প্রতীকী ছবি।

চট্টগ্রাম বন্দরে নয়জন ‘জুলাই যোদ্ধাকে’ চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তাদের আবেদনের ভিত্তিতে চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের বোর্ডসভার সিদ্ধান্তে সোমবার থেকে এক বছরের জন্য তারা নিয়োগ পেয়েছেন।

আজ মঙ্গলবার চট্টগ্রাম বন্দরের পরিচালক (প্রশাসন) মো. ওমর ফারুক বলেন, “এক বছরের জন্য থোক বেতনে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যেসব পদে চাকরি দেওয়া হয়েছে, সেগুলো রাজস্ব খাতের কোনো পদ না। আউটসোর্সিং নীতিমালা অনুযায়ী তারা বেতন পাবেন।”

বন্দরের চিফ পারসোনাল অফিসার স্বাক্ষরিত দপ্তর আদেশে গেজেটভুক্ত ৯ ‘জুলাই যোদ্ধাকে’ বন্দর প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, হাইড্রোগ্রাফি বিভাগ, বন্দর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, নৌপ্রকৌশল বিভাগ, নৌবিভাগ, বিদ্যুৎ বিভাগ, অর্থ ও হিসাব বিভাগ ও পরিকল্পনা বিভাগে প্রশিক্ষণ সেবা সহযোগী পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

তারা হলেন- আরবী মোহাম্মদ আল মিরাজ, মোহাম্মদ সাকিল, মো. মেহেরোজ হোসেন, মাহবুবুল আলম, মো. শেফাতুল কাদের, সাইফুল ইসলাম, মোহাম্মদ তারেক, মো. আমীর হোসেন ও মো. ইব্রাহীম।

বন্দর পরিচালক ওমর ফারুক বলেন, তাদের চাকরি স্থায়ী হতে গেলে বন্দরের কোনো পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি দিলে সাধারণ প্রার্থীদের সঙ্গে আবেদন করে হতে হবে।

নিয়োগের আদেশটি প্রকাশিত হওয়ার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এরপর নেটিজেনদের কেউ কেউ শুরু করেন তীব্র সমালোচনা। তারা বলছেন, কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে সৃষ্টি হয় জুলাই গণঅভ্যুত্থানের। যে অভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয় ফ্যাসিস্ট হাসিনা। সেই আন্দোলনে জড়িতরা কেন কোটায় চাকরি পাবে?

ফেসবুকে তাহসিন রানা নামে একজন লিখেছেন, ‘কোনো নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি নেই, কোনো ইন্টারভিউ নেই, কিসের ভিত্তিতে এদের বাছাই করা হলো। জাতির কাছে তা পরিষ্কার করা হোক।’

রুনা তাসনিমা নামে আরেকজন লিখেছেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে নিয়োগ প্রক্রিয়া নিয়ে প্রশ্নের উত্তর খুঁজে পাবার আগে চট্টগ্রাম বন্দরে জুলাই কোটায় নিয়োগ। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে।’