আইন মেনেই লন্ডনে দূতাবাস নির্মাণের অনুমোদন: চীন
ছবিঃ সংগৃহীত।
আন্তর্জাতিক কূটনৈতিক রীতিনীতি এবং প্রাসঙ্গিক আইন ও বিধিমালা মেনে লন্ডনে মেগা দূতাবাস’ নির্মাণের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে চীন।
বুধবার (২১ জানুয়ারি) চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।
তিনি বলেন, ব্রিটিশ ও মার্কিন রাজনীতিবিদদের সতর্কবার্তা সত্ত্বেও বেইজিংয়ের সঙ্গে সম্পর্ক উন্নত করার আশায় লন্ডনে ইউরোপের বৃহত্তম দূতাবাস নির্মাণের অনুমোদন দিয়েছে ব্রিট্রিশ সরকার। তবে কূটনৈতিক প্রাঙ্গণ নির্মাণ এবং সহায়তা প্রদানে আয়োজক দেশের আন্তর্জাতিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে বলেও জানান তিনি।
বার্তা সংস্থা এপির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে আইনি জটিলতার পর সরকার গতকাল মঙ্গলবার বিট্রিশ সরকার চীনের দূতাবাস নির্মাণের অনুমোদন দেয়। দূতাবাস নির্মাণের প্রকল্প অনুমোদিত হওয়ায় স্টারমারের বহু প্রতীক্ষিত চীন সফরের পথ খুলে যাবে এবং বেইজিংয়ে যুক্তরাজ্যের দূতাবাস সম্প্রসারণের সুযোগ তৈরি হবে।
চীনের প্রস্তাবিত এই দূতাবাস হবে ইউরোপে তাদের বৃহত্তম কূটনৈতিক মিশন। তবে এই প্রকল্পের নকশা নিয়ে নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ রয়েছে।
২০ হাজার বর্গমিটার এলাকাজুড়ে বিস্তৃত এই কমপ্লেক্স লন্ডনের প্রধান আর্থিক কেন্দ্র ও গুরুত্বপূর্ণ ডেটা কেবলের খুব কাছে অবস্থিত। বিরোধীদের দাবি, এটি কেবল দূতাবাস নয়, বরং একটি ‘স্পাই হাব’ বা গোয়েন্দা কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হবে।
সম্প্রতি ব্রিটিশ গণমাধ্যম দ্য টেলিগ্রাফের এক প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে, দূতাবাসের নকশায় ভূগর্ভস্থ অংশে ২০৮টি গোপন কক্ষ ও একটি লুকানো চেম্বার রয়েছে, যা থেকে ব্রিটেনের স্পর্শকাতর তথ্য চুরি বা ভিন্নমতাবলম্বীদের ওপর নজরদারি চালানো সম্ভব হবে।