টাকাসহ জামায়াতের ১২ নেতা আটক
সংগ্রহীত ছবি
সৈয়দপুর, কুমিল্লা, শরীয়তপুর, পটুয়াখালী, সিরাজগঞ্জ, জামালপুর, নারায়ণগঞ্জ ও ঢাকার বিভিন্ন এলাকায় ভোট কেনার অভিযোগে জামায়াতের ১২ নেতা আটক হয়েছেন। বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত এই নেতাদের আটক করা হয়। নোয়াখালীতে হ্যান্ডবিল ও টাকা বিতরণের অভিযোগে জামায়াত প্রার্থীর সমর্থকরা জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়েছেন। সিরাজগঞ্জে এক নেতা জনতার ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে যান।
নীলফামারীর সৈয়দপুর বিমানবন্দরে ঠাকুরগাঁও জেলা জামায়াতের আমির বেলাল উদ্দিন ৭৪ লাখ টাকার ব্যাগসহ আটক হন। পরে তাকে থানায় হস্তান্তর করা হয়। শরীয়তপুরে যৌথ বাহিনীর অভিযানে সাড়ে ৭ লাখ টাকাসহ জামায়াত কর্মী আটক হন। কুমিল্লার মুরাদনগরে হাবিবুর রহমান হেলালী ভোটারদের মাঝে ২ লাখ টাকা বিতরণের সময় স্থানীয় জনতার হাতে আটক হন।
সিরাজগঞ্জ-২ আসনের কামারখন্দ উপজেলায় চার নেতাকর্মী ৭১ হাজার টাকাসহ আটক হন; পরে প্রশাসন তাদের ছেড়ে দেয়। তবে জামায়াত নেতারা দাবি করেন, কেন্দ্র খরচের জন্য ওই টাকা বহন করা হচ্ছিল। ঢাকা-৬ আসনের সূত্রাপুরে নায়েবে আমির মো. হাবিব ভোটারদের টাকা বিতরণের সময় আটক হন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে দুই দিনের কারাদণ্ড দেন।
পটুয়াখালী-১ আসনের মির্জাগঞ্জে ভোটারদের টাকা বিতরণের সময় কামাল হোসেন নামে এক জামায়াত নেতা আটক হন।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সোনারগাঁয় ভোটারদের টাকা বিতরণের অভিযোগে একজন কর্মী পুলিশে দেয়া হয়। জামালপুর-৩ আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীর পক্ষে টাকা বিতরণকালে তিন কর্মী জনতার হাতে আটক হন এবং পরে সেনাবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হয়। চট্টগ্রামের চন্দনাইশে অবৈধভাবে টাকা বিতরণের সময় তিনজন আটক হন; নগদ ১০ লাখ ৪৯ হাজার টাকা ও একটি নোহা মাইক্রোবাস বাজেয়াপ্ত করা হয়।