মালয়েশিয়ায় প্রথম রোজা সম্পন্ন
সংগৃহীত ছবি
সৌদি আরব ও মধ্যপ্রাচ্যের একদিন পর মালয়েশিয়ার মুসলিমরা সিয়াম সাধনা শুরু করেছেন। সে হিসেবে বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) ছিল এ দেশে এবারের প্রথম রমজান। তাই রমজানের প্রথম দিনটি সবার কেটেছে মহা ব্যস্ততায়।
সারাদিন কর্মব্যস্ততার পর বিকেলে প্রবাসী বাংলাদেশিরা ব্যস্ত হয়ে পড়েন ইফতার আয়োজন নিয়ে। তাদের ইফতার আয়োজনে থাকে ছোলা, বুট, বেগুনি, পেঁয়াজি, খেজুরসহ বিভিন্ন ধরনের ফল। কর্মব্যস্ততার কারণে অনেকেই এসব ইফতার সামগ্রী আগেই সংগ্রহ করে রাখেন।
কুয়ালালামপুর–এ বাংলাদেশি মালিকানাধীন রেস্টুরেন্টগুলোতে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ছিল শাহী হালিম, জিলাপি, বুন্দিয়া, পেঁয়াজু, বেগুনি, আলুর চপসহ দেশীয় নানা ধরনের ইফতারির আয়োজন। বাদ আসরের পরপরই ক্রেতা-বিক্রেতার হাঁকডাকে জমে ওঠে প্রবাসীদের ইফতার বাজার—এ যেন স্বল্প সময়ের পুরান ঢাকা।
ঘরের চেয়ে বাইরে খোলা ময়দানে বসে ইফতার করতে পছন্দ করেন স্থানীয় মালয়েশিয়ানরা। বৃহস্পতিবারও এর ব্যতিক্রম ছিল না। প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও রমজানের প্রথম দিন বিকেল থেকেই কুয়ালালামপুরের দাতারান মেরদেকা (স্বাধীনতা চত্বর) ও আশপাশের মাঠগুলো ছিল লোকে লোকারণ্য। স্থানীয় মালয়েশিয়ানদের পাশাপাশি প্রবাসী বাংলাদেশি ছাড়াও বিভিন্ন দেশের মুসল্লিদের উপস্থিতি দেখা যায় মাঠগুলোতে।
ঘড়ির কাঁটা সন্ধ্যা সাতটা উনত্রিশ মিনিট বাজতেই ভেসে আসে আজানের ধ্বনি। সবাই ইফতার গ্রহণ করেন। এভাবেই নানা আয়োজনে স্থানীয় মালয়েশিয়ান ও প্রবাসী বাংলাদেশিরা রমজানের প্রথম রোজা সম্পন্ন করেন।
রাজধানী কুয়ালালামপুর ছাড়াও সেলেঙ্গর, জহর বাহরু, পেনাং ও সেরেম্বান–সহ বিভিন্ন প্রদেশে বসেছে বাংলাদেশি ইফতার বাজার। বৃহস্পতিবার কুয়ালালামপুর ও আশপাশের এলাকায় সেহরির শেষ সময় ছিল ভোর ছয়টা আট মিনিট এবং ইফতারের সময় ছিল সন্ধ্যা সাতটা উনত্রিশ মিনিট।