খুলনায় মর্মান্তিক দুর্ঘটনা, স্বজনদের কাছে ১৪ জনের লাশ হস্তান্তর
সংগৃহীত ছবি
খুলনা-মংলা মহাসড়কের রামপালের বেলাই ব্রিজ এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১৪ জনের মরদেহ গভীর রাতে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) দিবাগত রাত প্রায় দেড়টার দিকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গের সামনে থেকে সারিবদ্ধ অ্যাম্বুলেন্সে করে মরদেহগুলো পরিবারের কাছে পাঠানো হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে এ দুর্ঘটনায় নিহত ১০ জনের লাশ ছিল খুলনা মেডিক্যালের লাশঘরে। বাকী চারজনের মরদেহ ছিল বাগেরহাটের রামপাল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
রামপাল থেকে মরদেহগুলো আগেই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হলেও খুলনায় থাকা ১০টি মরদেহও জেলা প্রশাসনের অনুমতি নিয়ে ময়নাতদন্ত ছাড়াই পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা গভীর রাতে।
খুলনা মেডিক্যাল থেকে যাদের লাশ হস্তান্তর করা হয় তারা হলেন, মংলার শেলাবুনিয়ার আশরাফুল আলম জনির মেয়ে পুতুল(৩০), মৃত. কেরামত সরদারের পুত্র নিশারুল আলম সবুজ(৪২), আব্দুর রাজ্জাকের মেয়ে ঐশী(৩০), আশরাফুল আলম জনির ছেলে আলিফ(১২), রামপালের ৮ নম্বর ওয়ার্ডের মনোয়ার হোসাইনের ছেলে ফাহিম(১), রামপালের জিগির মোল্লা এলাকার মনিরুল শেখের পুত্র নাঈম শেখ(২৮), মংলার শেওলাবুনিয়ার আহাদুর রহমান সাব্বিরের মেয়ে মিতু(২০), আশরাফুল আলম জনির ছেলে ইরাম(১১), আ. রাজ্জাকের পুত্র আহাদুর রহমান সাব্বির(২৭), খুলনার কয়রার আমাদীর নাকসা গ্রামের মৃত. আলতাফ শেখের মেয়ে আনোয়ারা বেগম(৪৮) এবং আব্দুল্লাহ সানি।
প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে ৪টার মধ্যে খুলনা-মংলা মহাসড়কের বেলাই ব্রিজ এলাকায় বরযাত্রীবাহী একটি মাইক্রোবাসের সঙ্গে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর একটি বাসের মুখোমুখি সংঘর্ষে এ দুর্ঘটনা ঘটে। এতে নবদম্পতি সাব্বির ও মার্জিয়া মিথুসহ মাইক্রোবাসে থাকা ১৪ জন নিহত হন।
নিহতদের মধ্যে ১৩ জন যাত্রী এবং একজন মাইক্রোবাস চালক নাইম শেখ।